প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্ভাব্য এই সমঝোতার আওতায় ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তর অথবা এর ঘনত্ব কমিয়ে আনার বিষয়ে কাঠামোগত আলোচনা শুরু হতে পারে। একই সঙ্গে যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত কিছু অবরোধ শিথিল করতে পারে।

অন্যদিকে ইরান ধীরে ধীরে গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার পদক্ষেপ নিতে পারে বলে জানা গেছে। এছাড়া ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল এবং বিদেশে থাকা ইরানের জব্দকৃত সম্পদ আটকে রাখার প্রক্রিয়াও সাময়িকভাবে স্থগিত করতে সম্মত হতে পারে।

শনিবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, যুদ্ধবিরতি ঘিরে একটি সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা চলছে। তিনি জানান, প্রথম ধাপের আলোচনার অংশ হিসেবে আগামী ৩০ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে চুক্তির বিস্তারিত বিষয় নির্ধারণ করা হতে পারে।

বাঘাই আরও বলেন, সম্ভাব্য আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে থাকবে পারমাণবিক কর্মসূচির নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর বিষয়টি। তবে এখনো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতপার্থক্য রয়ে গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য এই সমঝোতা বাস্তবায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা অনেকটাই কমে আসতে পারে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, কারণ হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: ফিন্যান্সিয়াল টাইমস, রয়টার্স, হারেৎজ

এমএম