ভারতের উত্তর প্রদেশে আংশিক বিবস্ত্র করে শাস্তি দেয়ার অপমান সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে ১২ বছর বয়সি এক ছাত্রী। স্কুলের ব্যাগে মোবাইল পাওয়ার অপরাধে তাকে এমন অমানবিক ও অপমানজনক শাস্তি দেয়া হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
শনিবার এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে উত্তর প্রদেশের কানপুরে। খবরে বলা হয়েছে, কানপুর শহরের নাজিবাদ থানার কাছে একটি স্কুলের ক্লাসে তল্লাশি চালানোর সময় ষষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীর ব্যাগে মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। এতে ক্ষুব্ধ শিক্ষিকা প্রথমে তাকে বেদম মারপিট করেন। এরপর হতভাগ্য ছাত্রীকে আংশিক বিবস্ত্র করে দুই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য করেন।
পুলিশের মুখপাত্র জানান, অপমানের জ্বালা সইতে না পেরে ছাত্রীটি সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে।
হতভাগ্য ছাত্রীর পরিবার স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকাকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে। অবশ্য ঘটনার পর অমানুষ শিক্ষিকা গা ঢাকা দিয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ ছাত্রী ও অভিভাবকদের প্রতিবাদের মুখে স্কুলটি পরিদর্শন করেছেন কানপুরের এসপি। ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ছাত্রীটির পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি।
ঢাকা, ২৪ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, টিআই





