কাশ্মির থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পদক্ষেপকে সমর্থন জানালেই ভারতে ফেরার ব্যবস্থা করে দেয়া হত তাকে। তুলে নেয়া হত তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সমস্ত মামলা। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে এই চাঞ্চল্যকর দাবিই করলেন ইসলামিক স্কলার জাকির নায়েক।
ওই ভিডিওতে জাকির নায়েক আর দাবি করেন, ‘জম্মু ও কাশ্মির থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহারের পরেই কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে তার সাথে যোগাযোগ করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের প্রতিনিধি আমার সাথে দেখা করে প্রস্তাব দেয় এই ইস্যুতে কেন্দ্রের পাশে দাঁড়াতে। এর স্বপক্ষে মুখ খুলতে। তাহলে আমার ভারতে ফেরার সমস্ত বাধা দূর হবে। দায়ের হওয়া মামলাগুলিও তুলে নেয়া হবে। এর পাশাপাশি আমার সমস্ত যোগাযোগকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশের সাথে সম্পর্ক ভাল করতে চেয়েছিলেন তারা। কিন্তু, আমি এই কাজ করতে অস্বীকার করেছি।’
ভারত সরকারের ওই প্রতিনিধির সাথে আলোচনার পর তিনি অবাক হয়ে গিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন জাকির নায়েক। এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ওই কর্মকর্তাকে আমাকে জানিয়েছিলেন আমার সাথে কথা বলার আগে এই বিষয়ে তার সাথে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথা হয়েছে। তারা এই বিষয়ে আমার সাহায্য চেয়েছেন। তার এই কথা শুনে প্রথমে হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম আমি। যে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের সময় বক্তব্য রাখতে গিয়ে দু’মিনিটে ৯ বার আমার নাম নিচ্ছিলেন। তার এই ভোলবদল দেখে চমকে গিয়েছিলেন।’
এএইচ





