বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী নতুন ‘করোনাভাইরাসে’ আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছেই। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসে (কোভিড-১৯) মৃতের সংখ্যা বেড়ে প্রায় দুই হাজার ৪৫৮ জনে ছাড়িয়েছে।
আজ (২৩ ফেব্রুয়ারি) রোববার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে।
হুবেই স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) করোনাভাইরাসেপ্রদেশটিতে একদিনে মৃত্যু হয়েছে আরও ৯৬ জনের। এই নিয়ে মোট হুবেই প্রদেশে এ রোগে প্রায় দুই হাজার ৪৫৮ জনের মৃত্যু হলো।
এছাড়া এই ভাইরাসে নতুনভাবে আরও ৬৩০ জন আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে প্রদেশটির কর্তৃপক্ষ।
সবমিলিয়ে দেশটিতে এখন প্রায় ৭৭ হাজার করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এই রোগে আক্রান্ত ৪০ হাজার ১২৭ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে এক হাজার ৮৪৫ জনের অবস্থা আশঙ্কজনক ও আর ১৫ হাজার ২৯৯ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আরও জানিয়েছে, চীনের মূল ভূখণ্ডে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দুই হাজার ৪৪১ জন। চীনের মূল ভূখণ্ড ছাড়াও ১৭ জনসহ মোট মৃতের সংখ্যা দুই হাজার ৪৫৮।
এর মধ্যে ইরানে ছয়জনের, জাপানে তিনজন, হংকং-ইতালি ও দক্ষিণ কোরিয়ায় দুইজন করে মৃত্যু হয়েছে। তাইওয়ান, ফিলিপাইন ও ফ্রান্সে একজন করে এ ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে। চীনের মূল ভূখণ্ডসহ বিশ্বে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়ালো ৭৮ হাজার ৫৭২ জনে।
করোনাজনিত কোভিড-১৯ রোগের প্রকোপ শুরুর পর থেকে বিচ্ছিন্ন উহান নগরীর মানুষ দিন কাটাচ্ছে চরম দুর্ভোগে। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানপাট বন্ধ। সেইসঙ্গে বাড়ির বাইরে বের হতে না পারায়, বেঁচে থাকার তাগিদে বাধ্য হয়েই অনলাইনে কেনাকাটার দিকে ঝুঁকতে হচ্ছে তাদের।
নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য যেমন চাল, আটা, ময়দা, মাংস, দুধ, ডিম সবজিও কিনতে হচ্ছে ই-কমার্সের সাইট থেকে।
ভাইরাসটিকে বিশ্ববাসীর জন্য ‘মারাত্মক হুমকি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থার মহাপরিচালক ইথিওপিয়ার টেডরস আধানম গেব্রিয়াসেস বলেছেন, ভাইরাসটি যেকোনো সন্ত্রাসবাদী পদক্ষেপের চেয়েও শক্তিশালী হতে পারে।
এমবি





