সম্প্রতি একটি ব্রিটিশ ট্যাংকার আটক নিয়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে যুক্তরাজ্য ও ইরানের মধ্যে।
যুক্তরাজ্যের পক্ষ থেকে অবৈধভাবে ট্যাংকার আটক করার দাবি করলেও ভিন্ন কথা বলছে ইরান। এবং এর স্বপক্ষে যুক্তি প্রমাণও উপস্থাপন করা শুরু করেছে ইরান।
ইরান প্রথম থেকে দাবি করে আসছিল তারা সামুদ্রিক আইনে ট্যাংকারটি আটক করে। কারণ আটক করার আগে ট্যাংকারটি একটি মাছ ধরার নৌকাকে ধাক্কা দেয়। বিধ্বস্ত নৌকা থেকে ট্যাংকারটির সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে তারা যোগাযোগ করে না। এর পরে ট্যাংকারটিকে বিপদ সংকেত দেখানো হলেও সেটা অমান্য করে। যার কারণে ট্যাংকারটিকে আটক করতে বাধ্য হয়ে ইরান।
এরই মধ্যে ট্যাংকারটি আটক করার একটি ভিডিও প্রকাশ করে ইরান। সেখানে দেখা যায় ইরানের কমান্ডো বাহিনী হেলিকপ্টারে করে এসে ট্যাংকারটি আটক করে।
দক্ষিণ হরমুজগন প্রদেশের বন্দর ও সমুদ্র প্রধান মুরাদ আফিফুর বলেন, ৩০ হাজার টনের ব্রিটিশ ট্যাংকারটি একটি নৌকাকে ধাক্কা দেয় যেসব নৌকা স্বাভাবিকভাবে মাছ ধরার কাজে ব্যবহার হয়। আইন অনুযায়ী এটার অবশ্যই তদন্ত করা প্রয়োজন। তাই ট্যাংকারটি আটক করা হয়।
আটক ট্যাংকারটির বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী জাভেদ জারিফ বলেন, সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন মেনে ট্যাংকারটি আটক করা হয়।
গতকাল শনিবার এক টুইট বার্তায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা জীব্রাল্টার প্রণালীর মতো জলদস্যুতা করে ট্যাংকারটিকে আটক করেনি। বরং সম্পূর্ণ সামুদ্রিক আইন মেনে ট্যাংকারটি আটক করেছি।
উল্লেখ্য, এই মাসের প্রথমদিকে জীব্রাল্টার প্রণালীতে ইরানের একটি তেল ট্যাংকার অবৈধভাবে আটক করা হয়।
এদিকে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হন্ট ইরানকে অনুরোধ জানায় ২৩ জন ক্রু মেম্বারসহ ট্যাংকারটিকে অক্ষত অবস্থায় ফেরত দিতে।
তবে বিশ্ব মিডিয়া সমালোচকদের মতে নতুন কিছু ভয়ানক উত্তেজনার জন্ম দিতে পারে এই ইস্যুটি।
জেড





