কংগ্রেসের নেতৃত্ব গান্ধী পরিবারের হাতেই রয়ে গেল। সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় দলটির কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে পদত্যাগ করেন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী। কিন্তু তা মেনে নেয়নি দলের কার্যনির্বাহী কমিটি। ফলে নেতৃত্ব রয়ে গেল সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর হাতেই। খবর এনডিটিভির। লোকসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর সোমবার দিল্লির ২৪ আকবর রোডে বসে দলের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা। স্থানীয় সময় বিকাল চারটার দিকে শুরু হয় তা। এতে দলের এমন দুর্দশার দায় কাঁধে নিয়ে পদত্যাগ করেন দলের সভাপতি সোনিয়া গান্ধী। তার পথ অনুসরণ করেন দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তার ছেলে রাহুল গান্ধী। কিন্তু কার্যনির্বাহী কমিটি দলের ভার তাদের ওপরই ন্যস্ত করেন। বলেন, এত বড় দায়িত্ব পালনের মতো কেউ নেই তাদের মাঝে। তারা আহ্বান জানান দলের যে ক্ষতি হয়েছে তা কাটিয়ে ওঠার জন্য পদক্ষেপ নিতে। এক পর্যায়ে সোনিয়া গান্ধী দলকে পুনর্গঠনের নির্দেশ দেন। আগে থেকেই খবর ছড়িয়ে পড়েছিল যে সোনিয়া ও রাহুল ওই বৈঠকে পদত্যাগ করতে পারেন। গতকাল বৈঠকে সাদা কোর্তা ও জিন্সের প্যান্ট পরে হাজির হন রাহুল গান্ধী। বসেন মা সোনিয়ার ডান পাশে। আর সোনিয়া বসেন সদ্য বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ডান পাশে। এতে সোনিয়ার মুখে সামান্য হাসি দেখা গেলেও রাহুল ছিলেন গম্ভীর। তাকে হাসতে দেখা যায়নি। এতে বলা হয়, দলের পার্লামেন্টারিয়ান ও সিনিয়র নেতা কমল নাথ বলেছেন, দলের ভিতর শুধু গণতন্ত্র থাকলে তা পৃষ্ঠপোষকতার সংস্কৃতির ইতি ঘটাতে পারে। তাই কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচনের জন্য অবশ্যই নির্বাচন হবে। বৈঠকের শুরুতে ২৪ আকবর রোডের বাইরে একদল তরুণ কংগ্রেস কর্মী রাহুল গান্ধীর পক্ষে স্লোগান দিতে থাকে। কিন্তু তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দল আনন্দ করতে পারেনি। উল্লাস করতে পারেনি। কমল নাথ একটি টেলিভিশন চ্যানেলকে বলেছেন, এ ব্যর্থতার জন্য কেন শুধু একা রাহুলকে দায়ী করা হচ্ছে? তার পদত্যাগ করা উচিত নয়। গত শুক্রবার প্রকাশিত লোকসভা নির্বাচনের ফলে দেখা যায় ৫৪৩ আসনের মধ্যে কংগ্রেস ৪৪টি আসন পেয়েছে। ৩০ বছরের মধ্যে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করছে। নতুন পার্লামেন্টে এখন বিরোধী দল কে হবে, কীভাবে হবে তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা কল্পনা। কারণ, যে কংগ্রেস গত ১০টি বছর সরকার পরিচালনা করেছে তাদের ধরাশায়ী অবস্থা এতই শোচনীয় যে তারা বিরোধী দলে বসার যোগ্যতাও অর্জন করতে পারেনি। সূত্র: এনডিটিভি [b]ঢাকা, ১৯ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) //এমএ[/b]
কংগ্রেসের নেতৃত্ব গান্ধী পরিবারেই
কংগ্রেসের নেতৃত্ব গান্ধী পরিবারের হাতেই রয়ে গেল। সোমবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় দলটির কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে পদত্যাগ করেন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধী। কিন্তু তা মেনে নেয়নি দলের কার্যনির্বাহী কমিটি। ফলে নেতৃত্ব রয়ে গেল সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর হাতেই। খবর এনডিটিভির।
বাংলাদেশের মতো ক্ষমতা বদলাতে চায় কংগ্রেস: ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী
কংগ্রেসকে ঘিরে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তার অভিযোগ, বাংলাদেশের মতো ভারতেও ক্ষমতার পালাবদল ঘটাতে চায় কংগ্রেস।
ফিরতে পারেন মমতা ভারতে এবার অখণ্ড কংগ্রেসের উদ্যোগ
কংগ্রেসের ভাঙন থেকে গড়ে ওঠা দলগুলোর সম্ভাব্য পুনর্মিলনের প্রশ্ন ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) এবং শরদ পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন এনসিপি (এসপি) আবারও কংগ্রেসের সঙ্গে একীভূত হতে পারে, এমন জল্পনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।
ভারতের কর্ণাটকে মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব চান মুসলিমরা, চাপের মুখে কংগ্রেস
কর্ণাটক মন্ত্রিসভায় অন্তত পাঁচজন মুসলিম মন্ত্রী নিয়োগের দাবি নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি জোরদার হওয়ায় বিষয়টি কংগ্রেসের জন্য নতুন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসে নেতৃত্বে ব্যাপক রদবদল
পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠন হওয়ার পরেই প্রশাসনিক স্তরে বড়সড় রদবদল এনেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক দল। মূলত বিধানসভায় নিজেদের পরিষদীয় দলকে আরও শক্তিশালী করতে এই বদল আনে তৃণমূল কংগ্রেস।
তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনে বিজয়ের পাশে কংগ্রেস, পেতে পারে দুই মন্ত্রিত্ব
ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। দীর্ঘদিনের ডিএমকে ও এআইএডিএমকের দ্বিমুখী আধিপত্য ভেঙে বিধানসভা নির্বাচনে বড় সাফল্য পেয়েছে দক্ষিণী সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে)। তবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় সরকার গঠনে দলটিকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস।
















