‘ইসলামিক স্টেট’ বা আইএস-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র৷ এই আশ্বাস নিয়ে বাগদাদে গিয়েছেন জন কেরি৷ মধ্যপ্রাচ্যের আরো কিছু দেশও এই সংগঠনটির হুমকির মুখে৷ যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য, আইএস-কে ধ্বংস করা৷

বুধবারই এ লক্ষ্য পূরণে যুক্তরাষ্ট্র কী কী করতে চলেছে তা জানাবেন বারাক ওবামা৷ মার্কিন প্রেসিডেন্ট মূলত এ বিষয়ে দেশবাসীকে অবগত করতেই জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন৷ তার এই ভাষণ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে৷ মঙ্গলবার কংগ্রেসেও এ বিষয়ে কথা বলেছেন তিনি৷ সেখানে মার্কিন সাংসদদের তিনি জানান, ইসলামিক স্টেট (আইএস বা আইসিস) শুধু ইরাক নয়, মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশ, এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও বড় হুমকি৷

ইসলামিক স্টেট ইন ইরাক অ্যান্ড সিরিয়া (আইসিস) উত্তর ও দক্ষিণ ইরাকের কিছু অংশ দখল করে নিয়েছে৷ বাগদাদ থেকে ১৪০ কিলোমিটার দূরের শহর তিকরিতও এখন তাদের দখলে৷ সে এলাকায় ইরাক সরকারের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের জন্য আইসিস-এর বিরুদ্ধে লড়ছে সেনাবাহিনী৷

এ হুমকি নিশ্চিহ্ন করতে যুক্তরাষ্ট্র বদ্ধপরিকর – এ কথাও জানিয়েছেন ওবামা৷ গত আগস্ট থেকে ইরাকে আইএস-এর ওপর বিমান হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র৷ হামলার মাত্রা বাড়ানোর পাশাপাশি আইএস-কে ঘায়েল করার জন্য একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র৷ বুধবারের ভাষণে কেন যুক্তরাষ্ট্রকে আইএস-এর বিরুদ্ধে কঠোরতর অভিযানের কথা ভাবতে হচ্ছে এবং অভিযান-পরিকল্পনায় কী কী থাকবে সম্পর্কে ধারণা দেবেন বারাক ওবামা৷ মঙ্গলবার কংগ্রেসে তিনি বলেন, আইএস-এর বিরুদ্ধে অভিযানের সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার তার আছে, তাই এর জন্য তিনি কংগ্রেসের অনুমোদন চাইবেন না৷ কংগ্রেস অধিবেসনে উপস্থিত সবাই অভিযানে সমর্থন জানালেও কেউ কেউ প্রেসিডেন্টের এখতিয়ারের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন৷

আইএস এই মুহূর্তে ইরাক এবং সিরিয়ায় সক্রিয় হলেও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশও সংগঠনটির হুমকির মুখে৷ এ পরিস্থিতিতেই মধ্যপ্রাচ্য সফর শুরু করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি৷ ইরাক সফরও তারই অংশ৷ বুধবার বাগদাদে পৌঁছেছেন তিনি৷ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ইরাকে নতুন সরকার গঠনের উদ্যোগের প্রশংসা করেন৷ সদ্যগঠিত সরকারের প্রশংসা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-আবাদির এই সরকার ইরাকের জন্য একটি মাইলফলক।" সূত্র: বিবিসি বাংলা

ঢাকা, ১০ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমএ