পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ইরান সফরে তেহরান পৌঁছেছেন।

রোববার (১৩ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তার বিশেষ সহকারি সাইয়্যেদ জুলফিকার বুখারি এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশীকে নিয়ে তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।

এরপর সা'দাবাদ ঐতিহাসিক প্রাসাদে তাকে স্বাগত জানান ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইমরান খানের সফরে আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং শান্তির বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।

তেহরান সফরের সময় ইমরান খান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী এবং প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানির সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এসব বৈঠকের পর তিনি সৌদি আরবে রওনা দেবেন।

গতমাসে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দেয়ার অবকাশে ইমরান খান ঘোষণা করেছিলেন যে, ইরান এবং সৌদি আরবের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনের ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা করার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং সৌদি যুবরাজ মুহাম্মাদ বিন সালমান তাকে প্রস্তাব দিয়েছেন।

তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইয়্যেদ আব্বাস মুসাভি গতকাল বলেছেন, কোনো রকমের মধ্যস্থতা ছাড়াই সৌদি আরবের সঙ্গে বৈঠকে বসতে প্রস্তুত রয়েছে ইরান।

এর আগে শুক্রবার (১১ অক্টোবর) পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি বলেছেন, আরেকটি যুদ্ধের ভার বহন করার ক্ষমতা এ অঞ্চলের নেই।

তিনি বলেন, “সৌদি আরব আমাদের কৌশলগত অংশীদার এবং ইরান হচ্ছে বন্ধুপ্রতিম ও প্রতিবেশী দেশ। এই দুই দেশ দুই মুসলিম দেশের ভেতরে যে ভুল বোঝাবুঝি আছে তা আমরা আলোচনার মাধ্যমে নিরসন করার চেষ্টা করছি।”

এমবি