ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি আদালত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তালিকা থেকে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের নাম বাদ দেয়ার নির্দেশ জারি করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের জেনারেল কোর্ট বুধবার এক বিবৃতিতে বলেছে, নির্ভরযোগ্য সূত্রের ভিত্তিতে নয় বরং কেবলমাত্র মিডিয়া ও ইন্টারনেটের তথ্যের ভিত্তিতেই হামাসের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।

আদালতের বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, হামাসকে কালো তালিকাভুক্ত করার ক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেয়া হয়নি। জেনারেল কোর্ট হচ্ছে ইইউ’র দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আদালত। হামাসের আপিলের ভিত্তিতে আদালত এ রায় দিয়েছে।

আদালতের বিবৃতিতে বলা হয়- এ ধরণের সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে‌ উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তথ্যগুলো যাচাই করে নেয়া উচিত ছিল। ইইউ তিন মাসের মধ্যে আপিল না করলে হামাসের সম্পদ বাজেয়াপ্তের সিদ্ধান্তও বাতিল হয়ে যাবে বলে লুক্সেমবার্গ ভিত্তিক ওই আদালত জানিয়েছে।

কিন্তু হামাসকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখনো সন্ত্রাসী সংগঠন মনে করে বলে জানিয়েছেন ২৮ জাতির জোটের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান ফেডেরিকা মোগিরিনির মুখপাত্র মাজা কোচিজানিসিস। ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি আদালত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তালিকা থেকে হামাসের নাম বাদ দেয়ার নির্দেশ জারির পরও মোগিরিনির মুখপাত্র এ কথা বললেন।

ইইউ’র আদালত এমন সময় এ রায় দিল যখন বুধবার ইইউ’র পার্লামেন্টে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়েছে। ইইউ ২০০৩ সালে হামাসের রাজনৈতিক শাখাকে কালো তালিকাভুক্ত করে। এর আগে ২০০১ সালে হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জাদিন আল-কাস্সাম ব্রিগেডকে কালো তালিকাভুক্ত করেছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সূত্র: রেডিও তেহরান

ইআর