ক্রিমিয়া উপদ্বীপের অধিকাংশ শহরে গতরাতে কিছু সময়ের জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। মার্চ মাসে রাশিয়া ইউক্রেনের কাছ থেকে দ্বীপটিকে দখল করে। স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এই ঘটনার জন্য কিয়েভকে দায়ী করছে। খবর এএফপি’র।

স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষ ক্রিমিনারগোর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইতার-তাস জানায়, গ্রিনিচ মান সময় ১৯০০ টার দিকে ইউক্রেনের স্বাভাবিক বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এর ফলে ইয়ালতা ও সেভাস্তোপোলের মতো প্রধান নগরীগুলো অন্ধকারে ঢেকে যায়। সেভাস্তোপোল নগরী রাশিয়ার কৃষ্ণ সাগরের নৌবহরের ঘাঁটি।

ক্রিমিনারগো জানায়, ক্রিমিয়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া বিদ্যুৎ সংযোগ পুনরায় চালু করা হয়েছে। উপদ্বীপটি এর ৮০ শতাংশ বিদ্যুতের জন্য ইউক্রেনের ওপর নির্ভরশীল।

তবে এই কি কারণে এই বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটল সে সম্পর্কে ইউক্রেন কিছু জানায়নি।
তবে ক্রিমিয়ার ভারপ্রাপ্ত গভর্নর সার্গেই আকসিয়োনোভ অভিযোগ করে বলেছেন, কিয়েভ উপদ্বীপটির বিরুদ্ধে বিদ্যুৎকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ।

তার উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ সংস্থা রিয়া-নোভোস্তি জানিয়েছে, ‘এটা ইউক্রেন কর্তৃপক্ষের নাশকতার সর্বশেষ ঘটনা। এবার স্কুলের শিক্ষাবর্ষ আরম্ভের প্রস্তুতিকে বিঘ্নিত করতেই তারা এ নাশকতা চালিয়েছে।’
তবে এ ব্যাপারে ইউক্রেন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, টিআই