গো-রক্ষার নামে হোক বা হোয়াটসঅ্যাপে ছড়ানো শিশু চুরির গুজব, গণপিটুনির প্রবণতা নিয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতের শীর্ষ আদালত। এই ধরনের ঘটনার মোকাবিলায় এবার সংসদকে নতুন আইন আনার পরামর্শ দিল সুপ্রিম কোর্ট। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

বিভিন্ন রাজ্যে স্বঘোষিত গো-রক্ষকদের তাণ্ডব ও মোবাইল গুজবে গণপিটুনির বিষয় উল্লেখ করে শীর্ষ আদালতে একটি পিটিশন দাখিল করেন মহাত্মা গান্ধীর নাতি তুষার গান্ধী, তেহসিন পুনওয়ালাসহ বেশ কয়েক জন সমাজকর্মী। তাদের পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যগুলোকে এই হিংস্রতা কড়া হাতে দমনের পরামর্শ দিয়েছে।

সেই পিটিশনের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ স্পষ্ট বার্তা দেয়, এই ধরনের ঘটনার আগাম প্রতিরোধ ও দমন করতে এবং শাস্তি দিতে নতুন গাইড লাইন তৈরি করুক আইনসভা। প্রয়োজনে নয়া আইন আনা হোক, যেখানে কড়া শাস্তির বিধান থাকবে এই স্বঘোষিত গো-রক্ষক বা শিশু-রক্ষকদের বিরুদ্ধে। প্রয়োজনে শুধু গণপিটুনির জন্যই আলাদা আইন তৈরি করুক সংসদ।

একইভাবে আলাদা আইন আনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে রাজ্যগুলোকেও। এই মামলায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের আরো পর্যবেক্ষণ, ‘‘ভয় ও অরাজকতার ক্ষেত্রে রাজ্যকে সদর্থক ভূমিকা নিতে হবে। হিংস্রতা বরদাস্ত করা যাবে না।’’

মোবাইলে গুজবের জেরে গণপিটুনির মতো ভয়ঙ্কর ঘটনা নতুন প্রবণতা হয়ে উঠুক এটা কোনো ভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কঠোর হাতে এর মোকাবিলা করতে হবে।’’ এ বিষয়ে কী পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্যগুলো, সে বিষয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন পেশের নির্দেশও দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

জেড