১০০ বছরে পা রাখল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই বেজে ওঠে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের দামামা। টানা ৪ বছরের বেশি সময় ধরে চলে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ। অর্থনৈতিক দিক থেকে শক্তিশালী সব রাষ্ট্র যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে।
প্রথম পর্যায়ে বলকান উপদ্বীপ অর্থাৎ উত্তর-পূর্ব ইউরোপে যুদ্ধটি শুরু হয়। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যে ইউরোপের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রকৃত সত্য হলো, বিশ্বযুদ্ধ অনেক ইস্যুর সমাধান দিতে সক্ষম হয়নি। ফলে ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জড়িত হয় বিশ্ববাসী। বলা হয়, গত শতাব্দীর ১৯১৪-১৯১৮ সাল পর্যন্ত প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়টি ইতিহাসের পাতায় 'উত্তেজনাকর' এবং 'সাংস্কৃতিকভাবে অনুরণনবৈশিষ্ট্যসম্পন্ন' হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

এই যুদ্ধে প্রাণ হারায় ৯০ লক্ষেরও বেশি সেনা। যুদ্ধ প্রতিরোধে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরেই তৈরি হয় লিগ অফ নেশনশ। রাষ্ট্রপুঞ্জ বা ইউনাইটেড নেশনস আজ তারই পরিবর্তিত রূপ।

যুদ্ধ প্রতিরোধে বিশ্বের বহু দেশ এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ফের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাক্ষী হয়েছে গোটা দুনিয়া।
যুদ্ধক্ষেত্রে প্রাণ হারিয়েছেন ৯০ লাখের বেশি সেনা, সাধারণ মানুষ। প্রাণনাশী যুদ্ধের বিরুদ্ধে দেশে দেশে পথে নেমেছেন শিল্পী,বুদ্ধিজীবারা। তবু আজও যুদ্ধ থামেনি। গাজা, প্যালেস্তাইনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মৃত্যু মিছিল দেখে শিউরে উঠতে হয়। স্তব্ধ হয়ে যায় সব ভাষা।
ভবিষ্যতের দিকে চেয়ে মনের ভেতরে তৈরি হয় এক অজানা আতঙ্ক। একশ বছর আগে ঘটে যাওয়া যুদ্ধের সেই ভয়াবহ স্মৃতি ভুলে সারা আজ আবারও এক শপথ নেওয়ার দিন। এ পৃথিবীকে নতুন শিশুর বাসযোগ্য করে দিয়ে যাওয়ার শপথ। সূত্র: বিবিসি, উইকিপিডিয়া।
ঢাকা, ২৮ জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, টিআই





