ভারতে ধর্ষণের পর কিশোরীর মাংস খাওয়ার দায়ে অভিযুক্ত এক ব্যক্তির ফাঁসির উপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। এক সপ্তাহের জন্য ফাঁসির এই স্থগিতাদেশ দিয়েছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত।

সুরিন্দর কোলি নামের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তির রিভিউ পিটিশনের উপর তার আইনজীবীর বক্তব্য পেশ করার জন্য সময় দেওয়ায় ফাঁসির আদেশে স্থগিতাদেশের সিদ্ধান্ত নেয় সুপ্রিম কোর্ট। রবিবার দিবাগত রাত দেড়টা নাগাদ সুপ্রিম কোর্টের এই স্থগিতাদেশের আদেশ পায় জেল কর্তৃপক্ষ। ফলে ফাঁসি থেকে আপাতত বেচে যায় এই নরখাদক।  

উল্লেখ্য, ১৪ বছরের একটি মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করে তার দেহের একটি অংশ খেয়ে ফেলার দায়ে সুরিন্দরের ফাঁসির রায় হয়। একটি মামলার রায়ে সুরিন্দরের ফাঁসি হলেও পুলিশ জানিয়েছিল, সুরিন্দর কমপক্ষে ১৯ জন মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে এবং লাশ কেটে খেয়েছে। সুরিন্দর জানিয়েছেন, প্রেতসাধনার অংশ হিসেবে তিনি এই পৈশাচিক কাজ করেছেন।

২০০৯ সালে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে হত্যার দায়ে সুরিন্দর এবং তার ব্যবসায়ী মনিব মনিন্দর সিং পাঁধেড়কে দোষি সাব্যস্ত করা হয়। পরে উচ্চতর আদালত পাঁধেড়কে খালাস দেয়। ২০০৭ সালে দিল্লির অদূরে নৈদা এলাকায় পাঁধেড়ের বাড়ির কাছে মৃতদেহের কয়েকটি অংশ খুজে পাওয়ায় পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। সূত্র: জি নিউজ

ঢাকা, ০৮ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমএ