ইস্ট-কোস্ট রেলের (পূর্ব উপকূলীয় রেল) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুন লাগার পরে দ্রুতই তা নিভিয়ে ফেলেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। কোচের মধ্যে আগুন ছড়ায়নি। কোনো হতাহতেরও খবর পাওয়া যায়নি। রেল লাইনের ইন্টারলকিংয়ের মধ্যে বোল্ডার ফেলে দেওয়া হয়েছিল। সময়মতো ওই বোল্ডার না সরানো হলে ভয়ঙ্কর বিপদ ঘটতে পারত।

বৃহস্পতিবার রাত ১০টা সাত মিনিটে ওড়িশার নুয়াপাড়া জেলার নুয়াপাড়া খারিয়ার স্টেশনে ঢোকে দুর্গ-পুরী এক্সপ্রেস। যে স্টেশন ওড়িশা ও ছত্তিশগড়ের সীমান্তে অবস্থিত। সেইসময় ধোঁয়ায় ভরে যায় বি৩ কোচ। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন যাত্রীরা। তারা দ্রুত রেল কর্তৃপক্ষকে খবর দেন। তারপর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল বাহিনী।

রেলের কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, ট্রেনের চেন টানার পর ব্রেক প্যাড ঠিকমতো কাজ করেনি। ব্রেক প্যাডের সংঘর্ষের জেরে আগুন লেগে যায়। আগুন নেভানোর পর রাত ১১টা নাগাদ পুরীর উদ্দেশে রওনা দেয় সেই এক্সপ্রেস ট্রেন।

আরপিএফ ইনস্পেক্টর দিলীপ কুমার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে স্টেশন ম্যানেজার অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্ত শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে ওড়িশার বালাসোরে বাহানগা বাজার স্টেশনের কাছে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন এক হাজারেরও বেশি।

এনএইচ