সিরিয়ায় যুদ্ধবিরতির সময়সীমা আরও তিন দিন বাড়াতে সম্মত হয়েছে সরকার ও বিদ্রোহী। সোমবার অবরুদ্ধ হোমস শহর থেকে আরও সাড়ে চার শত মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
এদিকে, সোমবার জেনেভাতে দ্বিতীয় দফায় শান্তি আলোচনার শুরুতে যুদ্ধবিরতির সময় বাড়ানোর ব্যপারে একমত হয়েছে দুইপক্ষ। তবে, সরকার এবং বিদ্রোহী পক্ষ এখনো সেই আলোচনায় মুখোমুখি বসে নি বলে জানা গেছে।
এর আগে প্রথম দফা শান্তি আলোচনা কোন অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়েছিল। তবে, সিরিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল মেকদাদ বলেছেন, সংঘর্ষ বন্ধের বিষয়ে চলমান এই আলোচনায় সরকার আলোচনা করতে চায়।
মেকদাদ বলেছেন, সন্ত্রাস ও সংঘর্ষ বন্ধ করতে জেনেভা কমিউনিকের উল্লিখিত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে হবে এবং আলোচ্যসূচীর পয়েন্টগুলোকে আলোচনা করতে হবে।
সিরিয়ায় সংঘর্ষ বন্ধ না হলে, সেটি পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতেও ছড়িয়ে পরবে বলে মন্তব্য করেন মি. মেকদাদ।
এদিকে, দেশটিতে চলা যুদ্ধবিরতি যথার্থভাবে মানা হয় নি বলে দু’দিন আগে অভিযোগ করেছিলেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সমন্বয়ক ইয়াকোপ এল হিলো।
হিলো বলেছেন, যুদ্ধবিরতি চলার সময় যে নয়-দশ ঘণ্টা তারা হোমস শহরে ছিলেন, তখন দেখেছেন যুদ্ধবিরতির শর্ত বারবার ভঙ্গ করা হয়েছে।
সিরিয়ার রেড ক্রিসেন্ট বলছে, হোমসে অবরুদ্ধ থাকা অগুনতি মানুষের জন্য আরও খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা দরকার।
সোমবার শহরটি থেকে আরও সাড়ে চারশো মানুষকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
গত প্রায় তিন বছর ধরে দেশটিতে চলা সংঘর্ষে এক লাখেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। সূত্র: বিবিসি
[b]ঢাকা, ১১ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডিডটকম)// ইএইচ/এফএ
[/b]