মিশরে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সহায়তার অভিযোগে আল-জাজিরার ২০ জন সাংবাদিক বৃহস্পতিবার আদালতে বিচারের সম্মুখীন হচ্ছেন।
এ মামলার ফলে সামরিক বাহিনী নিযুক্ত সরকারের বিরুদ্ধে সেন্সরশিপের অভিযোগ উঠেছে।
কাতারভিত্তিক টিভি চ্যানেলটির সাংবাদিকদের বিচার প্রক্রিয়াটি এমন এক সময় শুরু হচ্ছে যখন কায়রো ও দোহার মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে।
উল্লেখ্য, কাতার গত জুলাইতে সামরিক বাহিনীর হাতে ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট মুরসি ও তার দল বর্তমানে নিষিদ্ধ মুসলিম ব্রাদারহুডকে সমর্থন দিয়েছিল।
প্রসিকিউটররা অভিযোগ এনেছেন পুরস্কার বিজয়ী অস্ট্রেলীয় সাংবাদিক পিটার গ্রেস্ট ও মিশরীয়-কানাডীয় মোহাম্মদ ফাদেল ফাহমিসহ অভিযুক্তরা ফুটেজ কারসাজি এবং মুসলিম ব্রাদারহুডকে সহায়তা করেছেন।
সর্বমোট ২০ জন আল-জাজিরা সাংবাদিকের বিচার চললেও মাত্র ৮ জন নিরাপত্তা হেফাজতে রয়েছেন।
আইনজীবীরা বলছেন অভিযুক্ত সাংবাদিকরা ভুলভাবে ‘মিশরকে গৃহযুদ্ধের দেশ হিসেবে তুলে ধরে ছিলেন।
আল-জাজিরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং বলেছে অভিযুক্তদের মধ্যে মাত্র নয় জন তাদের স্টাফ।
বিবিসি’র সাবেক প্রতিবেদক গ্রেস্ট ও সিএনএনের সাবেক সাংবাদিক ফাহামিকে গত ডিসেম্বরে কায়রোর একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়।
মামলায় জড়ানো অপর বিদেশী সাংবাদিকরা এখনো বিদেশেই রয়েছেন এবং তাদের অনুপস্থিতিতেই তাদের বিচার শুরু হয়েছে। মামলায় দুই ব্রিটিশ ও ডাচ সাংবাদিকেরও নাম রয়েছে। ডাচ সাংবাদিক আল-জাজিরায় কাজ না করলেও তাকেও আসামি করা হয়েছে। সূত্র: এএফপি
[b]ঢাকা, ২০ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এমএ[/b]
আন্তর্জাতিক
মিশরের আদালতে আল জাজিরার ২০ সাংবাদিক
মিশরে মুসলিম ব্রাদারহুডকে সহায়তার অভিযোগে আল-জাজিরার ২০ জন সাংবাদিক বৃহস্পতিবার আদালতে বিচারের সম্মুখীন হচ্ছেন। এ মামলার ফলে সামরিক বাহিনী নিযুক্ত সরকারের বিরুদ্ধে সেন্সরশিপের অভিযোগ উঠেছে।





