ইসরায়েলী বাহিনীর গুলিতে মঙ্গলবার পাঁচ ফিলিস্তিনী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের দুই কিশোরও রয়েছে।
অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সহিংসতায় এ নিয়ে ৫০ ফিলিস্তিনী ও নয়জন ইসরায়েলী নিহত হলেন।
পশ্চিম তীরের হেবরনে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দুই ফিলিস্তিনী কিশোরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তারা ইসরায়েলী সেনাদের ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালিয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই হামলা তাদের এক সেনা আহত হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছে ইসরায়েল।
এদিকে, ইসরায়েলী তল্লাশি চৌকিতে ফিলিস্তিনীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় ফিলিস্তিনী রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই দুই কিশোরের লাশ উদ্ধার করতে পারছে না বলে আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, পশ্চিম তীরের হেবরনের কাছে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সকালে এক ফিলিস্তিনী তরুণকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরায়েলী বাহিনী। ওই তরুণের বিরুদ্ধেও ইসরায়েলী সেনাদের ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনার পর পরই ইসরায়েলী সীমান্তের কাছে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলী বাহিনীর গুলিতে আরেক ফিলিস্তিনী তরুণ নিহত হয়েছে।
এদিকে, বেথলেহেমের দক্ষিণাঞ্চলে দুই ব্যক্তিকে গাড়িচাপা দেওয়ার অভিযোগে এক ফিলিস্তিনীকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরায়েলী বাহিনী। ওই দুই ব্যক্তি সামান্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
একই দিন পৃথক ঘটনায় ফিলিস্তিনীর ছুরিকাঘাতে আহত এক ইসরায়েলীর মৃত্যু হয়েছে।
চলতি মাসের ৩ অক্টোবর ইসরায়েলী বসতি বাড়ানোর প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করে ফিলিস্তিনীরা। পরবর্তীতে তা সহিংসতায় রূপ নেয়।
কেএইচ





