মিশরের রাজধানী কায়রোয় একের পর এক বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার পর সারা দেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে।
বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনায় সারা দেশে কমপক্ষে ১৮ জন নিহত ও শত শত মানুষ আহত হয়েছে।
মূলত মুসলিম ব্রাদারহুডের সমর্থক ও তাদের বিরোধীদের মধ্যে এই সংঘর্ষ বাধছে।
বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় কমপক্ষে ছয় ব্যক্তি নিহত ও শতাধিক আহত হন।
হামলার ঘটনায় মুসলিম ব্রাদারহুডকে দায়ী করেছে সরকার।
শুক্রবার সকালে সবচেয়ে বড় বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে পুলিশ সদর দফতরে।
বলা হচ্ছে, দু’জন আত্মঘাতী হামলাকারী একটি পিক-আপে চড়ে সদর দফতরের বাইরের নিরাপত্তা বলয়ের সামনে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটায়। এসময় গোলাগুলিরও শব্দ পাওয়া গেছে।
পুলিশ সদর দফতরে হামলার পর আরও তিনটি জায়গায় বিভিন্ন সময়ে হামলা হয়েছে। অন্যান্য স্থানের মধ্যে একটি মেট্রো স্টেশন এবং সিনেমা হলও লক্ষ্য করে হামলা ঘটে।
সেসব হামলায় মারা গেছে দুই জন এবং আহত হয়েছে আরও অনেকেই।
হামলার ঘটনায় বিধ্বস্ত হয়েছে মিশরের ইসলামিক আর্ট মিউজিয়াম।
তবে মুসলিম ব্রাদারহুড বিস্ফোরণের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে।
তাদের বিরোধীরা বলছে ব্রাদারহুড হামলার উস্কানি দিয়েছে এবং বিস্ফোরণের পর সহিংসতার ঘটনায় কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছে।
তবে, মিশরের স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে যে, আল-কায়েদা’র দর্শনে উদ্বুদ্ধ ইসলামী জঙ্গি সংগঠন বেইত আল-মাকদিস পুলিশ সদর দফতরে হামলার দায় স্বীকার করেছে।
হোসনে মোবারকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের তৃতীয় বর্ষ পূর্তির ঠিক আগের দিনই হামলার এই ঘটনাগুলো ঘটলো। সূত্র: বিবিসি
আন্তর্জাতিক
দফায় দফায় বোমা বিস্ফোরণে প্রকম্পিত কায়রো
মিশরের রাজধানী কায়রোয় একের পর এক বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার পর সারা দেশে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনায় সারা দেশে কমপক্ষে ১৮ জন নিহত ও শত শত মানুষ আহত হয়েছে। মূলত মুসলিম ব্রাদারহুডের সমর্থক ও তাদের বিরোধীদের মধ্যে এই সংঘর্ষ বাধছে





