১২দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ আরসালান পারভেজের। তার বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় গত শনিবার ভোররাতে নিহত হন দুই বাংলাদেশি নাগরিক।

পারভেজের আইনজীবী শহরের আদালতে জামিনের আবেদন করেছিলেন। কিন্তু, ভারপ্রাপ্ত চিফ মেট্রোপোলিটান ম্যাজিস্ট্রেট অলকানন্দা রায় তা নাকচ করে দেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে কলকাতার একটি কোর্টের তোলা হয় আরসালানকে।

পুলিশ সূত্রের খবর, আরসালান পারভেজ ওইদিন রাতে শেক্সপিয়ার সরণি দুর্ঘটনার আগে আরো দুই জায়গায় সিগনাল ভেঙেছিলেন। শুধু তাই নয়, তার গাড়ির গতি বেগও কলকাতার চলা সর্বোচ্চ গতিবেগের আইন ভেঙেছিল। তার গাড়ির গতি ছিল ঘণ্টায় নব্বই কিলোমিটার। যেখানে ওই রাস্তায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতি বেগ বেধে দেওয়া রয়েছে।

শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ১টা ৫০ মিনিট নাগাদ শেক্সপিয়ার সরণির একটি ক্রসিংয়ের দ্রুতগামী জাগুয়ার গাড়িটি বা দিক থেকে আসা একটি মার্সিডিজ বেঞ্জ গাড়িকে ধাক্কা মারে। মার্সিডিজ গাড়িটিতে এত জোরে ধাক্কা মারা হয় সেটি ছিটকে গিয়ে রাস্তার ওপর ট্রাফিক গার্ড কিয়স্ককে আঘাত করে এবং সেটি ভেঙে পড়ে।

কিয়স্কের পেছনে বৃষ্টির কারণে দাঁড়িয়ে ছিলেন কাজি মাইনুল আলাম এবং ফারহানা ইসলাম তানিয়া সহ আরো একজন বাংলাদেশি নাগরিক। মাইনুল ও তানিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত হন বাকি একজন।

এদিকে রোববার সকালে নিহত মাইনুল ও তানিয়ার মরদেহ বাংলাদেশে তার স্বজনদের কাছে তুলে দেওয়া হয়।

 

এএস