মিয়ানমারের নতুন সরকারের চারটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের ভার নেওয়ার এক সপ্তাহ পার হতে না হতেই দুটির দায়িত্ব ছেড়ে দিলেন দেশটির গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চি।

শিক্ষা ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন সু চি। পররাষ্ট্র ও প্রেসিডেন্ট কার্যালয়বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।

বিবিসি অনলাইনের এক খবরে সোমবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সু চিকে রাষ্ট্রীয় পরামর্শক করার জন্য মিয়ানমারের পার্লামেন্টে প্রস্তাব তোলা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় পরামর্শক পদটি প্রধানমন্ত্রীর সমমানের পদ হবে। এতে রাষ্ট্রীয় কাজে কারো অনুমতি ছাড়াই তিনি অংশ নিতে পারবেন এবং রাষ্ট্রপতিকে নির্বিঘ্নে কাজে সহায়তা করতে পারবেন। কিন্তু প্রস্তাবটি এখনো পাস হয়নি।

দু'জন প্রাক্তন সরকারি কর্মকর্তাকে শিক্ষা ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। চারটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর আলোচনা উঠেছিল, এত বেশি দায়িত্ব পালনে সফল হতে পারবেন কি সু চি? অবশেষে সেই প্রশ্নের অবসান হলো।

মিয়ানমারের গণতন্ত্রিক রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) সাধারণ নির্বাচনে ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সরকার পরিচালনায় প্রভাব বিস্তারকারী সামরিক বাহিনীর সঙ্গে বোঝাপড়ার ভিত্তিতে নতুন সরকার গঠন করে দলটি। এ দলের নেতা সু চি। কিন্তু সাংবিধানিক বাধা থাকায় তিনি প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। তবে ‘ছায়া প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে নতুন প্রেসিডেন্ট ও তার দীর্ঘদিনের বন্ধু থিন কিউয়ের সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে নিজেই ঘোষণা দিয়েছেন।

 

এমআইএস।