মালয়েশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইরাক ও সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট গ্রুপকে দমনে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের প্রচেষ্টাকে ‘অকার্যকর’ মনে করছেন। তিনি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বিস্তার ঘটতে যাওয়া জিহাদিদের প্রতিরোধে আঞ্চলিক সহযোগিতার আহবান জানিয়েছেন।

হিশামুদ্দিন হোসেনকে উদ্ধৃত করে সংবাদপত্র দি স্টার জানায়, ‘সিরিয়া ও ইরাকে আইএসের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এবং তাদের মিত্র দেশের বিমান হামলা আপাতত অকার্যকর হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সুতরাং এক্ষেত্রে এখন আমাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গির কথা বিবেচনা করা প্রয়োজন।’

বৃহস্পতিবার বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি বলেন, ‘আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে কাজ করতে পারি না। আমাদের বন্ধু ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে আমাদের কাজ করা প্রয়োজন।’

প্রতিবেশী ইন্দোনেশিয়া ফিলিপাইন ও ব্রুনেইর কথা উল্লেখ করে হিশামুদ্দিন বলেন, আইএস’র হুমকি মোকাবেলায় এ অঞ্চলে আরো গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং অন্যান্য সহযোগিতা প্রয়োজন।

হিশামুদ্দিন আইএসআই’র নিন্দা জানানোর ক্ষেত্রে আরব বিশ্বের দ্বিধাগস্ততার কঠোর সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, ‘আরব বিশ্বের কাছে আইএস ইস্যুটি আসলেই তারা অনেকটা বোবা হয়ে যায়।’

এ অঞ্চলে ইসলামিক স্টেট গ্রুপের অনুসারিদের সম্ভাব্য অগ্রযাত্রার বিষয়ে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় উদ্বেগ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ জানায়, তারা এ সপ্তাহে আইএস গ্রুপের সাথে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে সরকারি প্রকৌশলীসহ ১৪ জনকে গ্রেফতার।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে আইএস সমর্থকরাও রয়েছে। তারা মালয়েশিয়ার নাগরিকদের আইএসের দলে ভিড়িয়ে তাদেরকে সিরিয়ায় পাঠানোর ব্যবস্থা করতে চেয়েছিল।

মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ এ বছর আইএসের সাথে যুক্ত এমন প্রায় ৩৬ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানায়। মালয়েশিয়ার কমপক্ষে ৪০ জন নাগরিক সিরিয়ার উদ্দেশে দেশ ছেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এসএমএ