অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের জায়গায় মন্দির গড়ার জন্যই রায় দিয়েছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। মন্দির গড়ার জন্য সরকারকে একটি ট্রাস্ট গঠন করতেও বলা হয়েছে।
তবে অযোধ্যাতেই অন্যত্র একটি মসজিদ গড়ার জন্যও সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডকে ৫ একর জমি বরাদ্দ করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, খবর বিবিসি।
অযোধ্যার যে ২.৭৭ একর জমিকে বিরোধের মূল কেন্দ্র বলে গণ্য করা হয়, তা বরাদ্দ করা হয়েছে ‘রামলালা বিরাজমান’ বা হিন্দুদের ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের বিগ্রহকে। যার অর্থ সেখানে রাম মন্দিরই তৈরি হবে।
শনিবর (০৯ নভেম্বর) ভারতের শীর্ষ আদালতে পাঁচ সদস্যের একটি সাংবিধানিক বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে এই রায় দিয়েছে। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক আদালত এই রায় দেয়।
এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার কোনো সুযোগ নেই। কারণ এটিই ভারতের সর্বোচ্চ আদালত।
সুপ্রিম কোর্টের রায়কে স্বাগত জানিয়ে টুইটারে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, “রাম ভক্তি হোক কিংবা রহিম ভক্তি, এখন ভারত ভক্তি গড়ে তোলার সময়।”
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ জানান, “যারা দীর্ঘদিন ধরে এর জন্য লড়াই চালিয়ে আসছিলেন, তাদের সকলকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। এই রায় দেশের একতা, অখণ্ডতা, মহান সংস্কৃতির ভিত আরও মজবুত করবে… শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখুন।”
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি বলেছেন, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাবরি মসজিদ সম্পর্কিত যে রায় দিয়েছে দৃশ্যত তাতে নরেন্দ্র মোদি সরকারের গোঁড়ামি মতবাদই প্রতিফলিত হয়েছে।
অযোধ্যায় বাবরি মসজিদের জায়গায় মন্দির গড়ার যে রায় শনিবার (০৯ নভেম্বর) ভারতের সুপ্রিম কোর্ট দিয়েছে তারপরই পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এই মন্তব্য করলেন। এমবি





