আজ ৮ই মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস৷ কিন্তু সমাজে নারীর মর্যাদা আজও পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি৷ সম্প্রতি জানা গেল, ইউরোপে প্রায় এক তৃতীয়াংশ নারী হিংসার শিকার হয়ে থাকেন৷
ইউরোপীয় ইউনিয়ন সদস্য দেশগুলিতে সমীক্ষা চালিয়ে মারাত্মক এই পরিস্থিতির কথা জানা গেছে ৷ ইইউ মৌলিক অধিকার সংস্থা – এফআরএ প্রায় ৪২ হাজার নারীর সাক্ষাৎকার নিয়েছে৷ তাদের মধ্যে এক তৃতীয়াংশ বলেছেন, তারা কোনো না কোনো সময় শারীরিক ও যৌন হামলার শিকার হয়েছেন৷ সংস্থার প্রধান মর্টেন কিয়েরুম বলেছেন, পথে ঘাটে, কাজের জায়গায়, এমনকি নিজেদের বাড়িতেও নারীরা নিরাপদ নন৷
ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের নারীরা সবচেয়ে বেশি হামলার কথা জানিয়েছেন৷ এই তিনটি দেশে যথাক্রমে ৫২, ৪৭ এবং ৪৬ শতাংশ নারী নিজেদের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিয়েছেন৷ কাউকে মারধর করা হয়েছে, শরীরে আগুন দেওয়া হয়েছে, গলায় দড়ি দিয়ে দমবন্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে, ধর্ষণ বা অন্যান্য যৌন নির্যাতন করা হয়েছে৷ ১৫ বছর বয়স থেকেই এমন ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা হয়েছে অনেকের৷
রাজনীতির ময়দানে প্রধানমন্ত্রী বরাবরই আলোচনায় ছিলেন৷ সেইসাথে পেয়েছেন জাতিসংঘের সাউথ-সাউথ পুরস্কার৷ সর্বদলীয় সরকার গঠনসহ নানা কারণে এখনও আলোচনায় তিনি৷
তবে এফআরএ-র গবেষকদের মতে, শুধু পরিসংখ্যান থেকে এমনটা দাবি করা যায় না যে ইউরোপের উত্তরাঞ্চলে নারীদের উপর বেশি নির্যাতন চলে বা দক্ষিণে নারীদের অবস্থা তুলনামুলকভাবে ভালো৷ আসলে উত্তরের দেশগুলির নারীরা দ্বিধা ঝেড়ে ফেলে অনেক সহজে নিজেদের নেতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা বলার সাহস রাখেন৷
অনেক নারীর জন্য পরিবারের মধ্যেও সুরক্ষার নিশ্চয়তা নেই৷ স্বামী বা সঙ্গীই তাদের উপর অত্যাচার চালিয়ে থাকে৷ শিশু ও কিশোর বয়সে তাদের উপর বাবা-মা নির্যাতন করেছেন, এমন ঘটনাও বিরল নয়। সূত্র: ডয়চে ভেলে
[b]ঢাকা, ৮ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম)//এমএ[/b]
ইউরোপের নারীরাও নির্যাতনের শিকার
আজ ৮ই মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস৷ কিন্তু সমাজে নারীর মর্যাদা আজও পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি৷ সম্প্রতি জানা গেল, ইউরোপে প্রায় এক তৃতীয়াংশ নারী হিংসার শিকার হয়ে থাকেন৷ ইউরোপীয় ইউনিয়ন সদস্য দেশগুলিতে সমীক্ষা চালিয়ে মারাত্মক এই পরিস্থিতির কথা জানা গেছে ৷
ভাড়া, চাকরি ও শিক্ষার দাবিতে উত্তাল ইউরোপ, নেতৃত্বে তরুণেরা
বাড়িভাড়া নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ানোর দাবিতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভে নেমেছেন লাখো তরুণ। ইতালির রোমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অবরোধ, স্পেনের মাদ্রিদে তাঁবু গেড়ে অবস্থান এবং ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে রাজপথে বিক্ষোভের মাধ্যমে রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি ক্ষোভ জানাচ্ছেন তাঁরা।
ইউরোপে তাপপ্রবাহে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু
ইউরোপে ২০২৬ সালের গ্রীষ্মে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষকদের ধারণা, তাপজনিত মৃত্যুর হিসাবে এবারের গ্রীষ্ম মহাদেশটির ইতিহাসে অন্যতম প্রাণঘাতী হতে পারে।
ইউরোপ থেকে ৩৫ বাংলাদেশিকে ফেরত
ইউরোপ থেকে ৩৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ইতালি থেকে ১৯ জন, গ্রিস থেকে ১০ জন এবং সাইপ্রাস থেকে ছয় জন বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন। ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সোয়া আটটায় একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে (পিভিজি ৯৪৪৫) তারা ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
ইউরোপজুড়ে তরুণেরা বিক্ষোভে জড়াচ্ছে কেন?
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রাজপথে নেমেছেন তরুণেরা। ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, ইতালি ও আলবেনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভ। কোথাও শিক্ষাব্যবস্থার দুরবস্থা ও শিক্ষকের সংকট, কোথাও বাড়িভাড়া ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, আবার কোথাও দুর্নীতি ও কর্মসংস্থানের অভাব নিয়ে ক্ষোভ জানাচ্ছেন বিক্ষোভকারীরা। ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে শুরু হওয়া আন্দোলন পরে সরকারবিরোধী বৃহত্তর বিক্ষোভে রূপ নিয়েছে। কয়েকটি দেশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সহিংসতায়ও গড়িয়েছে।
ইউরোপের রাস্তায় বিক্ষোভকারীরা, উত্তাল ৪ দেশ
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, কম মজুরি ও সরকারি সেবার অবনতির প্রতিবাদে ইউরোপের চার দেশে রাস্তায় নেমেছেন লাখো মানুষ। শনিবার ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ইতালি ও পর্তুগালে বিক্ষোভ হয়েছে। কয়েকটি শহরে এসব কর্মসূচি সহিংসতায় রূপ নেয়। ঘটেছে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ।
















