ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী।
ইসরায়েলের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ফিলিস্তিন থেকে বেলুন হামলার জবাবে শনিবার এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার ঘটনায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।
হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গাজার যেখান থেকে হামাস রকেট হামলা চালায় সেখানে এবং তাদের একটি ভবনে বিমান হামলা চালানো হয়েছে।
যদিও এ হামলার বিষয়ে ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
নিউ প্রেস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বেইত হানোন এবং জাবালিয়াসহ ৩ স্থানে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
গত ২১ মে ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে ১১ দিনের সংঘাত যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সমাপ্ত হয়। দু'পক্ষের সংঘাতে গাজায় ২৫৬ ফিলিস্তিন নিহত হন।
অপরদিকে ইসরায়েলে নিহত হয় ১৩ জন। সে সময় ফিলিস্তিন থেকে বেলুন হামলায় ইসরায়েলের বহু জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শুক্রবারও গাজা থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বেলুন হামলা চালানো হয়েছে।
ইসরায়েলের সেনাবাহিনী পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শুক্রবার দিনভর ফিলিস্তিন থেকে বেলুন ছোড়া হয়েছে। এর জবাবেই বিমান হামলা চালানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গাজায় নির্বিচারে বিমান হামলা চালানোয় ইসরায়েলের বিরেদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনে আন্তর্জাতিক মানবধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)।
সংস্থাটি গাজায় গত ১০ মে থেকে টানা ১১ দিনের হামলার মধ্যে তিনটি হামলা নিয়ে তদন্ত করে। তদন্তে গত ১৬ মে চালানো বিমান হামলাকে ভয়াবহ বলে উল্লেখ করা হয়।
ওই হামলায় তিনটি ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। নিহত হয় ১৮ শিশু, ১৪ নারীসহ অন্তত ৪৪ জন বেসামরিক নাগরিক। ইসরায়েলের দাবি, তাদের হামলার মূল লক্ষ্য ছিল হামাসের ব্যবহৃত সুড়ঙ্গপথ।
এইচএন





