কলম্বিয়ান প্রেসিডেন্ট ইভান ডুকুয়েকে বহনকারী হেলিকপ্টারে বন্দুক হামলা চালানো হয়েছে। হামলার সময় প্রেসিডেন্টকে নিয়ে হেলিকপ্টারটি ভেনেজুয়েলা সীমান্ত দিয়ে নর্টে ডি সানতানদের প্রদেশের কুকুটায় যাচ্ছিল। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী, ইন্টেরিয়র মিনিস্টার এবং প্রাদেশিক গভর্নর। খবর- বিবিসি।
স্থানীয় সময় শুক্রবারের (২৫ জুন) ঘটা এ হামলায় কেউ হতাহত হননি বলে এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বিবিসি।
তবে এই হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত’ বলে আখ্যায়িত করেছেন প্রেসিডেন্ট ডুকুয়ে। একই সঙ্গে তিনি এ ধরনে ‘সহিংসতা বা সন্ত্রাসবাদী’ কর্মকাণ্ডে ভীত নন বলেও জানিয়েছেন।
কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট এক ভিডিওবার্তায় তিনি বলেন, ‘আমাদের অবস্থান শক্তিশালী এবং এ ধরনের হুমকি মোকাবিলার যথেষ্ট সামর্থ্য কলম্বিয়ার আছে।’ এ ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করতে নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
স্থানীয় সংবাদপত্র সেমানার প্রতিবেদনে বলা হয়, অবতরণের প্রস্তুতি নেয়ার আগ মুহূর্তে হেলিকপ্টারের আরোহীরা ইঞ্জিনে আঘাতের শব্দ পান।
ঘটনাস্থল কাটাটুম্বো এলাকার নিয়ন্ত্রণ বামপন্থী ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির (ইএলএন) হাতে।
১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংগঠনটি জমি এবং সম্পদের অসম বণ্টনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছে। তারাই দেশটির সবচেয়ে বড় বিদ্রোহী গোষ্ঠী। তবে কলম্বিয়া, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের চোখে তারা ‘সন্ত্রাসী’।
চলতি মাসের শুরুতে কুকুটার সামরিক ঘাঁটিতে একটি গাড়িবোমা হামলার দায় ইএলএন-এর ওপর চাপানো হলেও তারা তা অস্বীকার করে। ওই হামলায় মার্কিন সামরিক উপদেষ্টাসহ ৩৬ জন আহত হয়েছিলেন।
এইচএন





