পাকিস্তানের পাঞ্জাব রাজ্যের বিভিন্ন কারাগারে নয়জনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। আসামিরা সবাই হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত ছিলেন।
মঙ্গলবার ভোরে পাঞ্জাবের যেসব কারাগারে ফাঁসি কার্যকর হয়, সেগুলো হলো-
লাহোর : এখানে কোট লাখপাত কারাগারে মুখতার নামে এক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়। ২০১৪ সালে একটি হত্যা মামলায় আসামি হন মুখতার এবং বিচারে তার মৃত্যুদণ্ড হয়।
ফয়সালাবাদ : ফয়সালাবাদ কেন্দ্রীয় কারাগারে দিত্তা ও ইউনাস নামে দুজনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। তবে এখানে আরেকজনের ফাঁসি কার্যকর স্থগিত করা হয়। ২০০০ সালে তিনজনকে খুন করেন ইউনাস। দিত্তা এক খুনের আসামি।
গুজরানওয়ালা : ১৯৯৯ সালে ১২ বছর বয়সি এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আশরাফ নামের এক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয় গুজরানওয়ালা কেন্দ্রীয় কারাগারে। এই কারাগারেও একজনের ফাঁসি স্থগিত করা হয়।
শিয়ালকোট : শিয়ালকোট জেলা কারাগারে ১৯৯৯ সালে তিন খুনের এক আসামির ফাঁসি সম্পন্ন করা হয়।
বাহাওয়ালপুর : গোলাম রসুল ও আসগর নামে দুজনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদ- কার্যকর করা হয়েছে বাহাওয়ালপুর কারাগারে।
ঝেলাম ও দেরা গাজি খান : এই কারাগারে একজনের মৃত্যুদ- কার্যকর করা হয়।
উল্লেখ্য, মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত সব আসামিই উচ্চ আদালতে আপিল করেছিলেন। কিন্তু তাদের আপিল খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন আদালত। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আসামিদের বিরুদ্ধে মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে কর্তৃপক্ষ।
কেএইচ





