সম্প্রতি প্রতিবেশী রাষ্ট্র চীনের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ যাওয়ার জন্য ভারতকে দায়ী করে প্রতিবেদন প্রকাশ করলো চীনা সংবাদ মাধ্যম। গতকাল রোববার চীনের গ্লোবাল টাইমস নামের জাতীয় ইংরেজি দৈনিকে এ নিয়ে আক্ষেপ করে আর্টিকেলটি প্রকাশিত হয়।
চীনা সংবাদমাধ্যমের অভিযোগ, ভারতের চাপে পড়ে নেপাল চীনের সঙ্গে তাদের প্রথম সামরিক মহড়ার ব্যাপ্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিয়েছে। কারণ প্রথমে ঠিক হয়েছিল, ব্যাটেলিয়ন পর্যায়ে সেনা মহড়া হবে। কিন্তু ভারতের চাপে সেনা সংখ্যা কমিয়ে আনে কাঠমান্ডু। এমনকি স্থান পরিবর্তিত হয়ে নির্ধারিত হয় একটি সৈনিক স্কুলে।
গতবছর চীনপন্থী প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলির পদত্যাগের পর থেকেই নেপাল বিষয়ে উদ্বিগ্ন হয় চীন। বিশেষ করে নতুন প্রধানমন্ত্রী পি কে প্রচন্ড ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ণের জন্য নেয়া পদক্ষেপগুলোই এর পেছনের কারণ হিসেবে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই এক বছরে কাঠমান্ডুর রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। প্রধানমন্ত্রী প্রচন্ড ইতিমধ্যে দিল্লি সফর করেছেন। গত বছরের শেষ দিকে ভারতের রাষ্ট্রপতিও নেপালে সফর করেছেন।
এরই মধ্যে নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যাদেবী ভান্ডারী পাঁচ দিনের সফরে ভারতে রয়েছেন। এর আগে গত বছর কে পি শর্মার নেতৃত্বাধীন সরকার হঠাৎ করেই তার সফরটি বাতিল করেছিল। ওই সময় অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছিল, অলির অপসারণে ভারতের সম্পৃক্ততা ছিল।
নেপালে রাষ্ট্রপতি হলেন অভিভাবক প্রধান, তার কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই। গত বছর সফরটি বাতিল হওয়ায় যে ক্ষতি হয়েছিল, এবারের সফরটি তা পুষিয়ে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে চীনের চিন্তিত হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে বলেই বিবেচনা করছেন সমালোচকরা।
জেড





