ভারতে ৯ বছরের এক দলিত শিশুকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় এক পুরোহিতসহ চার জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ।

ওই শিশুর ওপর নৃসংশতার ঘটনার প্রতিবাদে দিল্লিজুড়ে বিক্ষোভ হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছাড়াও স্বশরীরে আন্দোলনে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।

দেশটির পুলিশের বরাত দিয়ে আল জাজিরা এসব তথ্য জানিয়েছে।

১ আগস্ট দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট অঞ্চলের পুরোনো নাঙ্গাল এলাকায় বর্বর এ ঘটনা ঘটে। বাড়ির পাশেই শ্মশানঘাট। সেখান থেকে ঠান্ডা পানি আনতে যায় ৯ বছরের দলিত মেয়েটি।

শ্মশানেই তাকে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়। এরপর পরিবারকে না জানিয়েই তড়িঘড়ি করে তার মরদেহ চিতায় তোলা হয়। এসময় ঘটনা টের পেয়ে যান স্থানীয়রা।

পরে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৫৩ বছর বয়সী এক পুরোহিতসহ ৪ জনকে আটক করে পুলিশ। অভিযুক্ত ৪ জন কারাগারে আছেন।

দিল্লি পুলিশ চারশ পৃষ্ঠার চার্জশিটে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত বিষয় এবং অন্যান্য প্রমাণাদি হাজির করেছেন। শনিবার সরকারের এক বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়।

এতে আরও বলা হয়েছে, নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে ভারত সরকার। ঘটনার ৩০ দিনের মধ্যে চার্জশিট দেওয়ার কথা জানায় তারা।

নারীদের চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা বারবার উঠে আসে দেশটিতে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান বলছে, গত বছর দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে প্রতি ১৫ মিনিটে একজন নারী ধর্ষণের শিকার হন। নারী অধিকারকর্মীরা বলছেন, পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয়নি এখনও।

গত বছর সেপ্টেম্বরে ভারতের ন্যাশনাল দলিত মুভমেন্ট ফর জাস্টিস জানায়, চার লাখের কাছাকাছি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে দেশটিতে ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত।

এইচএন