লিবিয়ার বেনগাজি শহরে একটি মসজিদের সামনে জোড়া গাড়ি বোমা হামলায় কমপক্ষে ৩৩ জন নিহত হয়েছেন। এতে হামলায় আরও ৭১ জন আহত হয়েছে।
প্রথম গাড়ি বোমার বিস্ফোরণ ঘটে কেন্দ্রীয় আল-স্লেইমানি এলাকার একটি মসজিদের সামনে। মুসল্লিরা যখন মাগরিবের নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন তখন ওই বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
এর প্রায় ১০-১৫ মিনিটি পর যখন আইন শৃঙ্খলা ও হাসপাতালে নেয়ার জন্য কর্তপক্ষরা ঘটনাস্থলে জড়ো তখন দ্বিতীয় হামলাটি হয়। এই হামলায় নিহতদের মধ্যে সামরিক কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
স্থানীয় আল-জালা হাসপাতালের একজন মুখপাত্র বলেছেন, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তবে কোন গোষ্ঠী এই হামলার সঙ্গে জড়িত সেটি তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে লিবিয়ায় বিবিসির সংবাদদাতা বলছেন, এ ধরনের অনেক বোমা হামলার ঘটনায় কোনো গোষ্ঠী দায় স্বীকার করে না।
২০১১ সালে তৎকালীন নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে উৎখাতের পর থেকেই লিবিয়া উত্তপ্ত। দেশটিতে বেশ কয়েকটি পক্ষ নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করার চেষ্টা পরিস্থিতি আরও খারাপ করেছে। এরমধ্যে ইসলামিক স্টেটও দেশটিতে ঢুকে পড়ে।
বেনগাজি শহরে ইসলামিস্ট মিলিশিয়া ও নিজস্ব স্টাইলে গড়ে ওঠা খলিফা হাফতার নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মির মধ্যে প্রায় লড়াইয়ের ঘটনা ঘটে।
ইসলামিস্টদের সঙ্গে তিন বছর লড়াইয়ের পর ২০১৭ সালের জুলাইয়ে বেনগাজি ‘পুরোপুরি মুক্ত’ হয়েছে বলে ঘোষণা দেন হাফতার। তারপরও সেখানে লড়াই অব্যাহত রয়েছে। আর মাঝে-মধ্যেই চালানো হয় এ ধরনের বোমা হামলা।
জেড





