পাকিস্তানে নির্বাচনী সবাবেশে ভয়াবহ হামলার পর প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী আজ রোববার জাতীয় শোক দিবস পালন করছে পাকিস্তান।
গত ১০ ও ১৩ জুলাই নির্বাচনী সমাবেশে জঙ্গিদের হামলায় ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রীয়ভাবে এই শোক দিবস পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়।
দুইটি হামলায় এ পর্যন্ত প্রায় ১৭০ জন নিহত হয়েছে যেখানে নির্বাচনের প্রার্থীও রয়েছে। হামলা দুইটির একটি পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে এবং অপরটি পেশোয়ার প্রদেশে ঘটে। হামলাগুলোর দায় স্বীকার করে নিয়েছে জঙ্গি সংগঠন আইএস ও তালেবান।
গতকাল শনিবার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে এ ঘোষণা দেয়ার পর আজ সারাদেশে পাকিস্তানের পতাকা অর্ধনমিত থাকছে।
এর আগে গত ৯ জুলাই পাকিস্তানের The National Counter Terrorism Authority (Nacta) থেকে জানানো হয় , কিছু রাজনৈতিক দল বিশেষ করে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ, আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টি এবং কাওমী ওয়াতান পার্টির প্রধানসহ মোট ৬ জন রাজনীতিবিদের ওপর জঙ্গি হামলার সম্ভাবনা রয়েছে।
ঠিক এই ঘোষণার পরের দিন ১০ জুলাই পাকিস্তানের পেশোয়ারে নির্বাচনী সমাবেশে হামলা চালানো হয়। যেখান প্রার্থী হারুন বিলরসহ মোট ২০ নিহত হয়।
এ ঘটনায় পাকিস্তানের তেহরিক-ই- তালেবান হামলার দায় স্বীকার করে। যারা এর আগেও ২০১২ সালে নিহত হারুন বিলরের বাবা একই দলের রাজনীতিবিদ বশির বিলরকে হত্যা করে।
পেশোয়ারে হামলার পর গত ১৩ জুলাই ফের নির্বাচনী সমাবেশে হামলা করে জঙ্গিরা। অবশ্যই এ ঘটনায় দায় স্বীকার করেছে আইএস। এ হামলায় অন্তত ১৫০ জন নিহত হয় এবং আহত হয় প্রায় ২০০ জন। ২০১৪ সালে পাকিস্তানে আর্মি পাবলিক স্কুলে হামলায় পর এটাই সবচেয়ে ভয়ানক হামলা।
উল্লেখ্য আগামী ২৫ জুলাই পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন ঘোষণা করা হয়। এ উপলক্ষ্যে রাজনীতির ময়দানে ব্যস্ত প্রার্থীরা। কিন্তু পরপর দুই হামলার পর সামনের নির্বাচন আদৈই সুষ্ঠ করা সম্ভব হবে কিনা সে বিষয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে পাকিস্তানে।
জেড





