পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শুক্রবার বলেছেন, সরকার বিরোধী আন্দোলনকারীদের আপোসহীন মনোভাব দেশে দু’সপ্তাহ ধরে চলা অচলাবস্থা নিরসনে সেনাবাহিনীর মধ্যস্থতা ছাড়া আর কোনো পথ খোলা রাখেনি।
বৃহস্পতিবার দেশের শক্তিশালী সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল রাহিল শরিফকে সরকার ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে চলমান অচলাবস্থা কাটাতে মধ্যস্থতাকারী করা হয়েছে।
এ পদক্ষেপের কারণে পাকিস্তানের বেসামরিক সরকারের ওপর সেনাবাহিনীর আধিপত্য আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
পাকিস্তানে গত দুই সপ্তাহ ধরে সরকার বিরোধী রাজনীতিক ইমরান খান ও তাহিরুল কাদরির নেতৃত্বে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের পদত্যাগের দাবিতে ইসলামাবাদে সংসদ ভবনের বাইরে তাবু খাটিয়ে অবস্থান করছে।
এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে আলোচনার মাধ্যমে সংকট উত্তরণের সরকারি প্রচেষ্টায় তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। বিশেষ করে ইমরান খান নওয়াজ শরিফের পদত্যাগের দাবিতে অটল থাকায় অচলাবস্থা থেকে যায়।
সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ইমরান খান ও তাহিরুল কাদরি ঘোষণা দেন যে জেনারেল রাহিল শরিফ মধ্যস্থতা করবেন। পরে সেনা প্রধান তাদের দু’জনের সঙ্গে বৈঠক করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চৌধুরী আলী নিসার খান পার্লামেন্টে বলেন, বিক্ষোভকারীদের কাউকে আস্থায় নিতে অনীহার কারণে সেনা মধ্যস্থতা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, ‘তারা বার বার বলেছে তারা শুধু সেনাবাহিনীকেই বিশ্বাস করে এবং সেনাবাহিনীর মাধ্যমেই কেবল তারা কথা বলবেন।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টে বলেন, সামরিক সহায়তার অনুরোধে এসেছে খান ও কাদরির পক্ষ থেকেই।
কাদরি বিষয়টি ক্ষুব্ধভাবে অস্বীকার করে নওয়াজ শরিফের পদত্যাগ দাবি করেন।
তিনি তার সমর্থকদের বলেন, ‘এটি মিথ্যা, মিথ্যা, মিথ্যা। এই অনুরোধটি খোদ প্রধানমন্ত্রী ও সরকারই করেছে। আমি তাদের দাবি প্রত্যাখ্যান করছি।
ঢাকা, ২৯ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, টিআই





