পবিত্র নগরী মদিনায় আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় নিন্দার ঝড় বয়ে যাচ্ছে মুসলিম বিশ্বে। সেই নিন্দাবাদের মিছিলে সামিল হয়েছে হিজবুল্লাহ ও তালেবানরাও।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেছেন, যদিও এসব হামলার তদন্ত এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে আছে, তারপরও এগুলোর উদ্দেশ্য হলো ভয় ও বিভক্তির বীজ বপন করা।

ঘৃণ্য এই হামলার নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক।

এ ঘটনার পর ইরান মুসলিমদের প্রতি ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ এক টুইট বার্তায় বলেছেন, সন্ত্রাসীদের সীমানা বলে কিছু নেই। আমরা একতাবদ্ধ হতে না পারলে সুন্নি-শিয়া উভয়ই হামলার শিকার হতে থাকবো।

এই হামলাকে ‘বর্বর’ বলে উল্লেখ করেছে তালেবানরা। হামলার নিন্দা জানিয়ে তারা বলছে, এটি ইসলামের বিরুদ্ধে শত্রুতামূলক ও বিদ্বেষপূর্ণ আচরণ।

‘আতঙ্ক ছড়ানোর নতুন চেষ্টা’ উল্লেখ করে হামলার সমালোচনা করেছে লেবাননভিত্তিক শিয়া জঙ্গিগোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।

জাতিসংঘের মানবাধিকার–বিষয়ক মুখপাত্র রুপার্ট কুলভিল বলেছেন, এটা ধর্মের ওপর হামলা।

গত সোমবার পবিত্র মসজিদে নববির কাছে ইফতারের সময় আত্মঘাতী ওই বোমা হামলাচালানো হয়। এতে নিহত হয় চারজন।

এছাড়া একইদিনে আরও হামলা চালানো হয় জেদ্দা ও কাতিফে।

এসব হামলার দায় এখনও কেউ স্বীকার করেনি। তবে গত মে মাসে ইসলামিক স্টেট তার সমর্থকদের পবিত্র রমজান মাসে হামলা চালানোর আহ্বান জানিয়েছিল।

২০১৪ সাল থেকে সৌদি আরবের শিয়া মুসলমানদের ওপর ধারাবাহিকভাবে বোমা হামলার দায় স্বীকার করে আসছে আইএস।

এমআইএস