থাইল্যান্ডের পশ্চিমাঞ্চলে শুক্রবার সকালে একটি বাসে আগুন লেগে ২১ জন অভিবাসী কর্মী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো তিন জন। নিহতরা সবাই মায়ানমারের নাগরিক এবং তাদের বেশিরভাগই মহিলা বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মটর জেলার পুলিশ স্টেশনের প্রধান কৃষ্ণকোণ ড্যান-উডম বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, বাসটিতে মিয়ানমারের ৪৭ জন অভিবাসী কর্মী ছিল, তারা আইনগতভাবে কাজ করার জন্য সীমান্ত পার হয়ে থাইল্যান্ডে প্রবেশ করেছিল। এরপর বাসটিতে হঠাৎ আগুন ধরে গেলে ২১ জন নিহত ও তিন জন গুরুতর আহত হয়। তবে বাকি যাত্রীরা অক্ষত অবস্থায় বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আহতদের অবস্থা সম্পর্কে এখনও কোনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায় নি। পাশাপাশ আগুন লাগার কারণ এখন পর্যন্ত বের করতে পারে নি পুলিশ।
তবে প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে দ্যা ডেইলি এক্সপ্রেস জানায়, বাসে যেকেউ একজন ধূমপান করছিল। যেটা কোন ভাবেই আইনসম্মত নয়। ড্রাইভার ধূমপান করতে নিষেধ করলেও যাত্রীটি ধূমপান চালিয়ে যায়। এক পর্যায়ে বাসে অাগুন লেগে বিস্ফোরণ হয়।
সড়ক দুর্ঘটনায় সবচেয়ে ভয়ানক অবস্থায় আছে থাইল্যান্ড। লিবিয়ার পরে সড়ক দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি নিহত থাইল্যান্ডে।
উল্লেখ্য, থাইল্যান্ডে বর্তমানে তিন মিলিয়নেরও বেশি অভিবাসী কর্মী রয়েছে, যাদের মধ্যে বেশিরভাগ দরিদ্র প্রতিবেশী মায়ানমার থেকে আসে।
জেড
















