বিশ্বজুড়ে মহামারির রূপ নেওয়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ আঘাত হেনেছে যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালীদেরও ওপর। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। শুধু তিনিই নন এবর দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হানককেরও একই সংক্রমণ ধরা পড়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ ) এক টুইট বার্তায় ব্রিটিশ স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তার উপসর্গগুলো মৃদু এবং বাড়িতে থেকে কাজ চালিয়ে যেতে পারছেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট জানিয়েছে, করোনা মহামারি মোকাবিলয়ায় ব্রিটিশ স্বাস্থ্য বিভাগের তৎপরতার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন ম্যাট হানকক।
গত ২৫ মার্চ ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারী প্রিন্স চার্লসের সংক্রমণ ধরা পড়ার পর শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের শরীরে ভাইরাসটির উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া যায়।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বরিস জনসনের সংক্রমণের ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ম্যাট হানককের সংক্রমণের কথা জানা যায়। এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, “সৌভাগ্যক্রমে আমার উপসর্গগুলো মৃদু এবং বাড়িতে ও স্বেচ্ছায় বিচ্ছিন্ন থেকে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। জীবন রক্ষায় আমাদের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার পরামর্শ মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ।”
ইন্ডিপেন্ডেন্টের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ক্রিস হুইটি এবং প্রধান বৈজ্ঞানিক পরামর্শক প্যাট্রিক ভ্যালান্স করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর ব্রিটিশ সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের আক্রান্ত হওয়া নিয়ে আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাসটির সংক্রমণ নিয়ে তারা দুজনেই প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হানককের সঙ্গে গত সপ্তাহে নিয়মিত বৈঠক করেছেন।
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত ১১ হাজার ৬৫৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে মারা গেছেন ৫৭৮ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩৫ জন।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডওমিটারের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১৯৯টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়েছে করোনাভাইরাস।
এমবি





