[b]নয়াদিল্লি:[/b] রাজ্য সরকারের অধীনে পুলিশ দেয়া,মন্ত্রীর সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের কারণে তিন পুলিশের শাস্তি প্রদানসহ বিভিন্ন দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বে দিল্লির আম আদমির সরকার সোমবার থেকে ভারতের রেলভবনে অবস্থান ধর্মঘটে বসেছে। খবর এনডিটিভির।
পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী দিল্লির সাউথ ব্লকের সামনে কেজরিওয়ালের ধর্মঘটে বসার কথা ছিল। কিন্তু রেলভবনে সামনেই পুলিশ তার দলকে থামিয়ে দিলে তারা রেলভবনের সামনেই অবস্থান ধর্মঘটে বসে পড়েন।
কেজরিওয়াল জানিয়েছেন,দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তিনি আন্দোলনে চালিয়ে যাবেন। যতদিন তিনি অবস্থান ধর্মঘটে থাকবেন ততদিন এখান থেকেই তিনি এবং তার সরকারের মন্ত্রীরা সরকার পরিচালনা করবেন।
কেজরিওয়াল বলেন,"প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রস্তুতিতে বিঘ্ন ঘটাতে চাই না। কিন্তু রাজধানীতে নারীদের সুরক্ষার প্রশ্নে চুপ করে বসে থাকা যায় না।"
তিনি আরও জানান,ওই পুলিশ কর্মীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নেয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ চলবে। তদন্তের পরই শাস্তির বিষয়টি ভাবা হবে স্বরাষ্টমন্ত্রী সুশীল শিন্দের এই বক্তব্যকে নাকচ করে কেজরিওয়াল বলেন,“জনস্বার্থে দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ কর্মীদের দ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।"
সোমবার সকাল ১০টার মধ্যে দিল্লির ওই তিন পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে বলে রোববারই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল আদমি পার্টি।
সামনেই প্রজাতন্ত্র দিবস। সেই উপলক্ষে দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। কোনও রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সংসদ ভবন,নর্থ ও সাউথ ব্লক এবং বিজয় চকে আগে থাকেই প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এ দিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পটেল চক,সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট,উদ্যোগ ভবন ও রেসকোর্স এই চারটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেয়া হয় মেট্রো কর্তৃপক্ষকে। বিক্ষোভকারীদের সামলাতে প্রস্তুত রাখা হয় জলকামান।
রোববার সন্ধ্যায় টুইটে অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন,"এই বিক্ষোভে দিল্লিবাসী ও সমর্থকদের সামিল হওয়ার প্রয়োজন নেই। আপ-এর মন্ত্রীরাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দফতরের সামনে বসবেন।" সোমবার এপ্রসঙ্গে দিল্লির পুলিশ কমিশনার জানান,পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত। সূত্র: এনডিটিভি
টাইম নিউজ/এসএমএ