গ্রীস সংকটের সমাধানে এখনো কোন ঐকমতে পৌছতে পারেনি ব্রাসেলসে বৈঠকরত ১৯টি ইউরোপীয় দেশের নেতৃবৃন্দ।
এদিকে, নগদ অর্থের যোগান ফুরিয়ে কোন ব্যাংক ধসে যাবার আগেই একটি সমাধানে পৌছাতে চান গ্রীসের প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সিস সিপ্রাস।
তবে, ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইসিবি’র প্রেসিডেন্ট মারিও দ্রাঘি জানিয়েছেন, উদ্ধার চুক্তি হবার আগে কোন জরুরী অর্থ সাহায্য পাবে না গ্রীস।
গ্রীসের নগদ অর্থের সরবারহ ফুরিয়ে যাওয়া ঠেকাতে এবং ইউরোপ জুড়ে একক মুদ্রা চালু রাখতে একটি অভিন্ন সমাধানের খোজে, ব্রাসেলসে এখনো বৈঠক করছেন ইউরোপের নেতৃবৃন্দ।
এখুনি কোন উদ্ধার চুক্তিতে একমত হতে ব্যর্থ হলে গ্রীসকে সাময়িকভাবে ইউরো জোন থেকে বাদ দেয়া হতে পারে এমন আভাস পাওয়া যাচ্ছে বৈঠক থেকে।
গত দুদিন ধরে চলা সম্মেলনে এখন বিরতি দেয়া হয়েছে, যাতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করতে পারে।
তবে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওল্যাদকে কিছুটা নমনীয় অবস্থান নিয়ে বলেছেন, ইউরোপের ভবিষ্যতের স্বার্থের একটি ঐকমতে পৌঁছানো দরকার।
ওল্যাদ বলেছেন, এটি সম্মেলনের মূল আলোচ্য হলেও, সেটি কেবল গ্রীসেরই সমস্যা নয়। বরং তা একীভূত ইউরোপের অভিন্ন স্বার্থের ব্যপার। ফলে একটি চুক্তিতে পৌছাতে ফ্রান্স তার করনীয় সবটাই করবে।
এদিকে, গ্রীসকে ঋণসংকট থেকে টেনে তুলতে এই মূহুর্তে ছিয়াশি বিলিয়ন ইউরোর প্রয়োজন। দেশটিতে একাধিক অর্থনৈতিক মনিটর মোতায়েনসহ একটি বৃহৎ সংস্কার পরিকল্পনা হাজির করে, তা দেশটির পার্লামেন্টে পাশ করানোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপের নেতৃবৃন্দ।
বিবিসি’র এথেন্স সংবাদদাতা জানাচ্ছেন, কট্টরপন্থী সদস্যদের সরিয়ে এই সপ্তাহেই মন্ত্রী পরিষদে আরো রদবদল করতে যাচ্ছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সিস সিপ্রাস।
এআর





