আজ ভারতের ত্রিপুরায় বিধানসভার নির্বাচনে চলছে ভোট গ্রহণ। ৬০টি আসনের মধ্যে ৫৯টি আসনে ভোট হচ্ছে। টানা ২৫ বছর ধরে বামশাসিত রাজ্যটিতে নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে এবার সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে বিজেপি।
এবারের লড়াইটা বামপন্থীদের সঙ্গে ডানপন্থীদের। তাই গোটা দেশ তাকিয়ে আছে ত্রিপুরার দিকে। ভোটকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা।
ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল সাতটায়, শেষ হবে বিকেল চারটায়। এ পর্যন্ত প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানায় ভারতের সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি।
২৩ জন মহিলা প্রার্থীসহ মোট প্রার্থী ২৯৩ জন। মোট ৩১৭৪টি কেন্দ্রে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে যেগুলোর মধ্যে মহিলাদের জন্য ৪৭টি আলাদা ভোটকেন্দ্র রয়েছে।
এবারের ভোটে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার আশা করছেন প্রার্থীরা কারন মোট ২৬ লাখ ভোটারের মধ্যে প্রায় ৪৮ হাজারের মতো নতুন ভোটার এবার ভোটকেন্দ্রে তাদের সিদ্ধান্ত জানান দিবেন।
ভোট গণনার ফলাফল প্রকাশ করা হবে ৩ মার্চ। একই সময় মেঘালয় এবং নাগাল্যান্ডের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
তবে একটি আসনে প্রার্থীর মৃত্যুতে ভোট হবে ১২ মার্চ। সেখানে ভোট গণনা ১৫ মার্চ। এবারের ভোটে সিপিএম ও বিজেপির মূল লড়াইয়ের পাশাপাশি রয়েছে কংগ্রেস ও তৃণমূলও।
কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যেও এবার উত্তেজনায় টগবগ করছে ত্রিপুরা। ২০১৩ সালে ৯৩ শতাংশেরও বেশি মানুষ কোনো ধরনের সহিংসতা ছাড়া ভোটদানে অংশ নেন। মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল কংগ্রেস ও সিপিএম। ভোটে সিপিএম বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়। পরে ত্রিপুরার রাজনৈতিক রং দ্রুত বদলাতে থাকে। কংগ্রেসের জায়গায় উত্থান ঘটে বিজেপির। তারাই এবার বামদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী। ২০ বছরের মানিক সরকারের শাসনের অবসান ঘটাতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে বিজেপি।
ভোট পরিচালনার জন্য এবার ২৫ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক, ৮ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক, ১৯ জন আর্থিক পর্যবেক্ষক ছাড়াও প্রায় ৩০ হাজার ভোটকর্মী থাকছেন। ২৫ লাখ ৭৩ হাজার ৪১৩ জন ভোটার ৩ হাজার ২১৪টি ভোটকেন্দ্রে তাঁদের নাগরিক অধিকার প্রয়োগ করবেন। ভোটকে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ করতে ৩০০ কোম্পানি অতিরিক্ত আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে।
জেড





