জি২০ জোটের বর্তমান চেয়ারম্যান ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, ‘প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আসবেন। প্রেসিডেন্ট পুতিনও আমাকে বলেছেন, তিনি আসবেন।’ বিশ্বের শীর্ষ ২০ অর্থনীতির দেশের এই সম্মেলনে দুই নেতা যোগদান করবেন বলে প্রথমবারের মতো নিশ্চিত করলেন জোটের বর্তমান এই চেয়ারম্যান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উইদোদোর দাবি যদি সত্যি হয় তাহলে ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটাই হতে যাচ্ছে পুতিন ও শি জিনপিংয়ের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ। কারণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাইডেনেরও সেখানে যাওয়ার কথা রয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন এবং তাইওয়ানে মার্কিন পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির সাম্প্রতিক সফর ঘিরে সৃষ্ট উত্তেজনার মাঝে এই জোটের এটাই প্রথম সম্মেলন।

করোনাভাইরাস মহামারির শুরুর দিকে সীমান্ত বন্ধ করে দেয় চীন। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ার পর শি জিনপিংও প্রথমবারের মতো চীনের বাইরে ইন্দোনেশিয়া সফর করবেন। সেই সময়ের পর শি জিনপিং গত ১ জুলাই হংকংয়ের চীনে প্রত্যাবর্তনের ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে মূল ভূখণ্ড ত্যাগ করেছিলেন।

নভেম্বরে এবারের জি২০ শীর্ষ সম্মেলন বহুল প্রতীক্ষিত হতে যাচ্ছে। কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও এই সম্মেলনে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে মার্কিন এই প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে সাক্ষাৎ করবেন কিনা সেটি এখনও স্পষ্ট নয়।

তবে শীর্ষ সম্মেলনের আগে অথবা সম্মেলনের ফাঁকে বাইডেনের সাথে শি জিনপিংয়ের মুখোমুখি বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে বলে কিছু গণমাধ্যমের খবরে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

এইচএন