ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন জানিয়েছেন, এইডস রোগকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কনডম ব্যবহারের প্রতি সচেতনতা না বাড়িয়ে সরকারকে ভারতীয় সংস্কৃতির প্রচার-প্রসারের উপর বেশি করে জোর দিতে হবে। এক বিদেশি পত্রিকায় এ ধরনের সাক্ষাৎকার দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।
তিনি জানিয়েছেন, এইচআইভি এইডসকে নিয়ন্ত্রণ করতে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিশ্বাসযোগ্য শারীরিক সম্পর্ককে বাড়িয়ে তুলতে হবে যা ভারতীয় সংস্কৃতির একটি অংশ। অসুস্থতার কথা বলতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বৈজ্ঞানিকতা ছেড়ে নৈতিকতার কথা বলতে শুরু করলেন।
বিদেশী সংবাদমাধ্যমে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন,, কনডমের ব্যবহারের কথা প্রচার করার ফলে ভুল বার্তা যাচ্ছে ও এটি ব্যবহার করে যে কারোর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক বৈধ বলে মনে হয়। এই কারণেই এইডসের ক্যাম্পেইন কেবল কনডম ব্যবহারের উপর হওয়া উচিত নয়।
গত সপ্তাহেই টেলিফোনের মাধ্যমে বিদেশি সংবাদ মাধ্যমকে এই সাক্ষাৎকার দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
১৯৮৬ সালেই ভারতে প্রথম এইচআইভি-এইডসের কথা প্রকাশ্যে আসে। এক সময় এমনও ভয় ছিল যে এটি কোন ভাবে মহামারীর আকার না ধারণ করে। ১৯৯২ সালে ওই রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য ন্যাশনাল এইডস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (ন্যাকো) তৈরি করা হয়। এই সংস্থা কনডম ও সুরক্ষিত সিরিঞ্জ ব্যবহারের জন্য প্রচার শুরু করে এবং এর সার্থক প্রভাবও দেখা যায়।
ন্যাকো’র একটি রিপোর্ট অনুযায়ী ২০০০ সাল থেকে ২০০১ পর্যন্ত এইআইভি সংক্রমণ ৫৭ শতাংশ কমেছে। যদিও এইচআইভি সংক্রমিত লোকের সংখ্যা অনুযায়ী ভারত বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় নম্বরে। ভারতের প্রায় ২১ লক্ষ লোক এইআইভি’র শিকার।
ঢাকা, ২৪ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ





