পাকিস্তান যে হারে তাদের পরমাণু অস্ত্রের ভাণ্ডার শক্তিশালী করছে, তাতে এখন থেকে ১০ বছর পর অর্থাৎ ২০২৫ সাল নাগাদ পরমাণু অস্ত্রে দেশটি বিশ্বের মধ্যে পঞ্চম স্থানে থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের একদল গবেষক এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
এর আগে ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পাকিস্তানের শীর্ষ কূটনৈতিক কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন, ভারতের যেকোনো ধরনের আগ্রাসন মোকাবিলা করতে স্বল্প পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে পাকিস্তান। এই খবরের পরপরই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের পরমাণু শক্তি বাড়ার নতুন তথ্য এল।
টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভিসহ ভারতীয় গণমাধ্যমে বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের পরমাণু সক্ষমতার নতুন সমীকরণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
‘পাকিস্তানের পরমাণু শক্তি ২০১৫’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদনে দেশটির পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডারের হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, বর্তমানে ১১০ থেকে ১৩০টি ওয়ারহেড আছে পাকিস্তানের। ২০১১ সালে এই সংখ্যা ছিল ৯০ থেকে ১১০টি। ২০২৫ সাল নাগাদ এই সংখ্যা গিয়ে ঠেকবে ২২০ থেকে ২৩০টিতে। যদি তাই হয়, ওই সময়ে পাকিস্তান হবে পরমাণু বিশ্বের পঞ্চম শক্তিধর রাষ্ট্র।
এদিকে পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্র বাড়ানোর বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে ভারত। সম্প্রতি প্রায় ১০টি স্বল্প পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে পাকিস্তান, যা ৬০ কিলোমিটার দূরত্বের যেকোনো স্থানে আঘাত হানতে সক্ষম। এই স্বল্প পাল্লার অস্ত্র তৈরির অর্থই হচ্ছে, ভারতের সঙ্গে যদি কোনো যুদ্ধ বেধে যায়, তাহলে তা মোকাবিলা করা।
এমকে





