প্রচণ্ড তাপদাহে পাকিস্তানে সহস্রাধিক ব্যক্তির প্রাণহানি ঘটেছে। যার বেশির ভাগই ঘটেছে সিন্ধুতে। হিটস্ট্রোকসহ গরমে হতাহত রোগীদের নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো।
তবে বুধবার থেকে আবহাওয়া পরিস্থিতির খানিকটা উন্নতি হওয়ায় হাসপাতালগুলোয় নতুন করে রোগী আসা খানিকটা কমে এসেছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, সিন্ধুতে মারা যাওয়া এক হাজার ১১ জনের মধ্যে বুধবারই মারা গেছেন ২২৯ জন। প্রদেশটিতে মোট মৃতের সাড়ে নয়শ জনই করাচির বাসিন্দা।
এদিকে বুধবার থেকে তাপদাহ খানিকটা কমে আসায় সিন্ধু এলাকায় খানিকটা স্বস্তি মিলেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
হাসপাতালগুলোয়ও নতুন রোগী ভর্তি হওয়ার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছে। টানা এক সপ্তাহের তাপদাহ শেষে এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ও সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ৩০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে। সেই সঙ্গে বাতাসের আর্দ্রতাও বেড়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) পাকিস্তানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি থেকে ৪০ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে।
এআর





