কুয়েত বাংলাদেশের অন্যতম বড় শ্রমবাজার। এ বিষয়টি বিবেচনা করে বাংলাদেশ থেকে আরো জনশক্তি আমদানি এবং বাংলাদেশে বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করতে কুয়েত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ।
সোমবার সকালে বিরোধীদলীয় নেতার গুলশানের বাসায় দেখা করেন কুয়েতের রাষ্ট্রদূত আবেল মোহাম্মদ। এ সময় তাদের মধ্যে বাংলাদেশ ও কুয়েতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতা কুয়েতের রাষ্ট্রদূতকে বলেন, ‘দেশে এখন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিরাজমান। বর্তমানে গৃহীত নীতি, কৌশল ও প্রকল্প বাস্তবায়ন পর্যায়ে সার্বিক সহযোগিতা ও প্রণোদনায় দেশে এখন বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বিরাজ করছে।
ধনী দেশ হিসেবে কুয়েত বাংলাদেশে বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সুযোগ গ্রহণ করতে পারে। কুয়েত বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধু। দ্বিপক্ষীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে উভয় দেশ অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে।’
রওশন এরশাদ আরো বলেন, ‘কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানি উল্লেখ করার মতো নয়। বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি কুয়েত কাজে লাগাতে পারে।’
বিরোধীদলীয় নেতার এসব কথা কুয়েত সরকারকে অবহিত করা এবং দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণসহ সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন আবেল মোহাম্মদ।
বৈঠকে কুয়েতের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘মুসলিমপ্রধান দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে যেভাবে নারীর ক্ষমতায়ন হচ্ছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। বিশেষ করে, রাজনীতিতে নারীর ক্ষমতায়ন বাংলাদেশের সামগ্রিক অগ্রগতির পরিচায়ক।’
তিনি আরো বলেন, ‘জাতীয় সংসদে বিরোধী দল হিসেবে জাতীয় পার্টির ভূমিকা প্রশংসনীয়। ৩০ বছর আগে আমি একজন নবীণ কর্মকর্তা হিসেবে যে বাংলাদেশকে দেখেছিলাম, আজকের বাংলাদেশ তার সব কিছুতে এগিয়েছে।’
কুয়েতের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, ‘উপসাগরীয় যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ যেভাবে কুয়েতের পাশে দাঁড়িয়েছিল, তা সব সময় কুয়েত সরকার মনে রাখবে।’
বৈঠকে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ তাজুল ইসলাম চৌধুরী, ফখরুল ইমাম এমপি, সেলিম উদ্দীন এমপি, রওশন আরা মান্নান এমপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এসএইচ





