গ্রিসের উত্তরাঞ্চলের অ্যাম্ফিপোলিস শহরে একটি সমাধির সন্ধান পাওয়া গেছে৷ প্রায় ৫৯০ মিটার দীর্ঘ এই সমাধিটি কার, তা নিয়ে সে দেশের মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল দেখা দিয়েছে৷
অনেকে মনে করছেন এটা হয়ত প্রাচীন বিশ্বের সর্বাধিক সমাদৃত ‘আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট'-এর সমাধি হতে পারে৷ অবশ্য গ্রিসের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় বলছে সেটা হওয়ার সম্ভাবনা নেই৷ তবে গ্রিসে এখন পর্যন্ত যত সমাধি পাওয়া গেছে তার মধ্যে এটাই সবচেয়ে বড়৷
উল্লেখ্য, সমাধি খননের কাজ এখনো চলছে৷ নতুন এই প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে গ্রিসের সাধারণ মানুষ এতই কৌতূহলী হয়ে উঠেছেন যে, সরকারি টেলিভিশনে প্রতিদিন খননের সর্বশেষ পরিস্থিতি জানানো হচ্ছে৷ এ ছাড়া খননকাজের আশেপাশে মানুষের ভিড় বেড়ে যাওয়ায় সেখানে পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছে৷
খৃস্টপূর্ব ৩২৩ সালে মাত্র ৩২ বছর বয়সে মারা যান মহাবীর আলেকজান্ডার৷ নিজের মতো করে পৃথিবীর মানচিত্রটা বদলে দিতে চাওয়া এই যোদ্ধা ব্যাবিলনে মৃত্যুবরণ করেন৷ তবে তার সমাধিটা যে কোথায় আছে, প্রত্নতাত্ত্বিকদের কাছে আজও সেটা অজানা৷
সাহারা অধ্যুষিত আফ্রিকায় নোক ভাস্কর্যগুলোর প্রত্নতাত্ত্বিক মূল্য অনেক৷ আফ্রিকান শিল্পের প্রাচীন নিদর্শনের অন্যতম ২,০০০ বছরের বেশি পুরোনো টেরাকোটার এই মূর্তিগুলো৷ এ বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ফ্রাংকফুর্টের লিবিগহাউসে ‘নোক, অরিজিন অফ আফ্রিকান কালচার’ নামের এই প্রদর্শনী চলবে৷
অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, মিশরের আলেকজান্দ্রিয়া শহরে হয়ত তাঁর সমাধি রয়েছে৷
এদিকে, গ্রিসের যে স্থানে খননকাজ চলছে, মহাবীর আলেকজান্ডারের মৃত্যুর পর সেই শহরে চলে গিয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী ও সন্তান৷ সেখানে আলেকজান্ডারের মা, স্ত্রী, ছেলে, ভাই, ভাবীকে হত্যা করা হয়৷ ফলে আবিষ্কৃত হতে যাওয়া সমাধিটি তাদেরও হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে৷
আরেকদল বিশেষজ্ঞের মতে, সমাধিটি আলেজান্ডারের কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারও হতে পারে৷
২০১২ সালে খননকাজ শুরু হওয়া এই সমাধিটি বড় বড় পাথর দিয়ে ঘেরা ছিল৷ ফলে সমাধির মূল্যবান জিনিসগুলো অরক্ষিত থাকবে বলে আশা করেছিলেন প্রত্নতাত্ত্বিকরা৷ কিন্তু পরে জানা যায়, তাদের ধারণা ঠিক নয়৷ দেয়াল ফুটো করে অনেক আগেই সেখানে চোরের পা পড়েছিল। সূত্র: ডয়চে ভেলে
ঢাকা, ২৯ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমএ





