বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একই সঙ্গে দুই ধরনের করোনার সংক্রমণ সম্ভব। ৯০ বছরের এক নারী আলফা এবং বেটা দুই ধরনের করোনার সংক্রমণের শিকার হয়েছেন। এটা দেখে তারা সবাইকে সতর্ক হতে বলছেন।

করোনার এই দুই ধরন আলফা এবং বেটা প্রথম যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকায় দেখা যায়।

বেলজিয়ামের এই নারী ২০২১ সালের মার্চে মারা যান। তিনি টিকাও গ্রহণ করেননি বলে জানা যায়। খবর বিবিসি’র।

চিকিৎসকরা মনে করছেন করোনা আক্রান্ত পৃথক দুটি ব্যক্তির দ্বারা তিনি আক্রান্ত হয়েছিলেন। এটাই প্রথম কোন দলিলকৃত ঘটনা হলেও দুই ধরনের করোনায় সংক্রমণের ঘটনা আরো ঘটছে। যদিও এটা খুবই বিরল।

এই নারীর সংক্রমণের বিষয়টি নিয়ে এখনো ইউরোপীয় ক্লিনিক্যাল মাইক্রোবায়োলজি এন্ড ইনফেকশিওয়াস ডিজেসে গবেষণা করা হচ্ছে।

বেলজিয়ামের এই নারীর বিষয়টি বিশেষজ্ঞদের চিন্তিত করে তুলছে। নারীটি যে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলো তা করোনার নতুন সংস্করণ। এছাড়াও এটি খুব উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ল্যাবে যখন তার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিলো তখন দেখা যায় করোনার নতুন দুটি ধরন আলফা ও বেটা’য় আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। আর করোনার এই দুটি ধরন খুব দ্রুত ছড়ায়।

বেলজিয়ামের অ্যালস্টের ওএলভি হাসপাতালের শীর্ষ গবেষক ড. অ্যান ভ্যানকিরবার্গেন বলেন, করোনার এই দুটি ধরনই বেলজিয়ামে তখন ছড়িয়েছে। এই নারী সম্ভবত দুজন ভিন্ন দুটি ব্যক্তির থেকে ভিন্ন দুটি ধরনের করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। দুর্ভাগ্যক্রমে, আমরা জানি না কীভাবে তিনি আক্রান্ত হয়েছিলেন।

এদিকে, ২০২১ সালের জানুয়ারিতে ব্রাজিলের বিজ্ঞানীরা জানায়, দু'জন লোক একই সাথে দুই ধরনের করোনাভাইরাস সংক্রামিত হয়েছিল। তার মধ্যে উদ্বেগের একটি ধরন হলো গামা।

পর্তুগালের গবেষকরা বলছেন, সম্প্রতি ১৭ বছরের এক কিশোর দুই ধরনের করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলো এবং সে সুস্থ হয়ে উঠেছে।

এমবি