নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলে একটি শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজে বুধবার পুলিশ ও সন্দেহভাজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে কমপক্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনার জন্য বোকো হারামকে দায়ী করা হচ্ছে।

কানো রাজ্য পুলিশ কমিশনার আদেলার শিনাবা জানান, এ প্রশিক্ষণ কলেজের বাইরে পুলিশের সাথে গুলি বিনিময়ের পর বন্দুকধারীরা কলেজে ঢুকে পড়ে বেপরোয়া গুলি চালায়।

এ সময় নিহতদের অধিকাংশ কানো কলেজের লেকচার হলের ভিতরে ছিলেন। সেখানে দুই বন্দুকধারী শিক্ষার্থীদের ওপর বেপরোয়া গুলি চালায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানান, তিনি বন্দুকধারীদের দেখেছেন। তারা কালো পোশাক পরিহিত ছিল। গুলি চালানোর সময় তারা সকল নারী শিক্ষার্থীকে মাথা নীচু করে দাঁড়িয়ে থাকতে বলে।

শিনাবা জানান, বন্দুকধারীরা গুলি শুরু করার পর পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় বন্দুকধারীদের একজন আত্মঘাতী বোমা হামলা চালায়।

এএফপি’র প্রতিবেদক ঘটনাস্থল থেকে জানান, সেখানে এ বিস্ফোরণে জানালার কাচ ভেঙ্গে যায় এবং ওই কক্ষের ছাদ ধসে পড়ে। এতে সেখানে অনেকের প্রাণহানি ঘটে।

শিনাবা বলেন, "তারা অবশ্যই আত্মঘাতী হামলাকারি ছিল। আমাদের এক কর্মকর্তা বন্দুকধারীদের একজনকে গুলি করে তার কাছ থেকে বিস্ফোরক কেড়ে নিয়ে তাকে ঘটনাস্থলেই হত্যা করে।"

তিনি আরো জানান, এ সময় অপর এক বন্দুকধারীও নিহত হয়। সেখানে ভয়াবহ এ হামলা পাল্টা হামলার ঘটনায় ১৩ জন নিহত ও অপর ৩৪ জন আহত হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অনেক বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে।

এদিকে এ মর্মান্তিক ঘটনায় নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট গুডলাক জনাথন নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

ঢাকা, ১৮ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমএ