কথিত গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে বার্লিনে কর্মরত যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) এক কর্মকর্তাকে বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছে জার্মান সরকার।
বার্লিনে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে সিআইএর হয়ে দুজন জার্মান কর্মকর্তার তথ্য ফাঁসের অভিযোগের জেরে সিআইএর ওই কর্মকর্তাকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
জার্মান সরকারের মুখপাত্র স্টিফেন সিবার্ট বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের গোয়েন্দা সার্ভিসের প্রতিনিধিকে জার্মানি ছাড়তে বলা হয়েছে।’
বিবিসির খবরে বলা হয়, গত সপ্তাহে ৩১ বছর বয়সী একজন জার্মান গোয়েন্দা কর্মকর্তা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেপ্তার হন।
গতকাল বুধবারের কয়েকটি প্রতিবেদনে বলা হয়, একজন জার্মান সেনাকে নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে।
এ ব্যাপারে জার্মানির সিক্রেট সার্ভিসের কাজ তদারকির দায়িত্বে থাকা সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান স্টিফেন সিবার্ট আরও বলেন, জার্মানির রাজনীতিকদের নিয়ে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য সিআইএর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, সিআইএর কর্মকর্তারা জার্মান রাজনীতিকদের ব্যর্থতা নিয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করছিল।
এদিকে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসএ) কাছে তথ্য পাচারের অভিযোগে জার্মান গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি স্বীকার করেছে খোদ যুক্তরাষ্ট্র।
সর্বশেষ এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত একজন সেনা যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে কাজ করছিলেন। বিষয়টিকে আরও মারাত্মক হিসেবে বিবেচনা করছে জার্মানি। এখনো পর্যন্ত ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি জার্মান সরকার। তবে তাঁকে ধরতে তল্লাশি চলছে।
দীর্ঘদিন ধরে জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উষ্ণ সম্পর্ক আছে। কিন্তু গত বছর জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেলের ফোনালাপের ওপর এনএসএর গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগের পর থেকে এ সম্পর্ক তিক্ত হয়। এনএসএর সাবেক ঠিকাদার এডওয়ার্ড স্নোডেন জার্মানির ওই গুপ্তচরবৃত্তির বিষয়টি ফাঁস করে দেন।
ঢাকা, ১০ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ





