ইরানের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, ইউক্রেন এয়ারলাইন্সের একটি যাত্রীবাহী বিমান তেহরানের ইমাম খোমেনী (র:) বিমানবন্দরের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে বিধ্বস্ত করার ঘটনায় কয়েক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

গত ০৮ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধাবস্থার ভেতরে শত্রু বিমান ভেবে ইরানি সামরিক বাহিনী ভুলক্রমে ইউক্রেনের বিমানটি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বিধ্বস্ত করে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) ইরানের বিচার বিভাগের মুখপাত্র গোলাম হোসেইন ইসমাইলি জানিয়েছেন, সামরিক বাহিনীর জেনারেল স্টাফের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে। কমিশন এরইমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে এবং কয়েক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তবে তিনি পরিষ্কার জানান নি যে, কত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

ইসমাইলি জানান, এই তদন্তের কাজে সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ, বেসামরিক বিমান সংস্থার কর্মকর্তা এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ারের বিশেষজ্ঞরা রয়েছেন।

বিচার বিভাগের মুখপাত্র জানান, বিমান বিধ্বস্তের সম্ভাব্য সব কারণের দিকে নজর দেয়া হবে এবং যথাযথ বিচার নিশ্চিত করা হবে। তিনি জানান, এরই মধ্যে কয়েক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে।

গত বুধবার ইরানের সামরিক বাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা ইউনিট ভুলক্রমে ইউক্রেন ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের একটি যাত্রীবাহী বিমান ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ভূপাতিত করে। বিমানটি তেহরান থেকে কিয়েভ হয়ে কানাডায় যাচ্ছিল।

ওই সময় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় ছিল।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ইরাকে অবস্থিত মার্কিন দুটি সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের নানা প্রতিশোধমুখী তৎপরতার কারণে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়।

এমবি