তবে বিশ্বের অন্যতম প্রধান উদীয়মান অর্থনীতির এই দেশের ৮৮.১ মিলিয়নেরও বেশি নাগরিক ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন ব্যবহার করে। আগামী ২০১৭ সাল নাগাদ এই সংখ্যা ১০৩.৬ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে দেশটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

পৃথিবীর বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইন্দোনেশিয়ার বীমা কোম্পানিগুলো এই বিপুল সংখ্যক ইন্টারনেট ব্যবহারকারি জনগোষ্ঠিকে গ্রাহক বানানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করছে। তাই গ্রাহকদের আকৃষ্ট করতে এবং প্রিমিয়াম আয় বাড়াতে কোম্পানিগুলো অনলাইনে যাচ্ছে।

অর্থাৎ ইন্দোনেশিয়ার বীমা কোম্পানিগুলো পলিসি বিক্রিসহ তাদের সব ধরণের কার্যক্রম অনলাইনে পরিচালনা করতে যাচ্ছে। এতে করে গ্রাহকরা সহজে বীমা পলিসি সম্পর্কে জানতে পারবে এবং প্রয়োজনীয় পলিসি কিনতে পারবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি সিকুইস লাইফ এবং এফডাব্লিউডি লাইফ মোবাইল অ্যাপ্লিকেশ চালু করেছে। এর মাধ্যমে তারা নতুন প্রিমিয়াম আয় বাড়াতে চায়। সিকুইস লাইফ তার তথ্য-প্রযুক্তি পদ্ধতিকে শক্তিশালী করতে বছরে ১০০ বিলিয়ন ইন্দোনেশিয়ান রুপিয়া (৭.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) থেকে ১৫০ রুপিয়া ব্যয় করেছে।

তাছাড়া ইন্দোনেশিয়ার লাইফ বীমা কোম্পানিগুলোর একটি অংশ তাদের ব্যবসায়িক কৌশল হিসেবে এরইমধ্যে ডিজিটাল সেলস’কে গ্রহণ করেছে। ইন্দোনেশিয়া লাইফ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের মতে, গত বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের হিসাব অনুসারে দেশের বীমা শিল্পের মোট প্রিমিয়াম আয় হয়েছে ১০০.৮ ট্রিলিয়ন রুপিয়া।

এস/ আলম