মার্কিন বিমান প্রস্তুতকারক কোম্পানি বোয়িং ইরানের ওপর আরোপিত ৩৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা আংশিকভাবে তুলে নিয়েছে। কোম্পানিটি ইরানের রাষ্ট্রীয় বিমান পরিবহন সংস্থা ইরান এয়ারকে এক কারগো প্লেন ভর্তি খুচরা যন্ত্রাংশ দিয়েছে। এসব যন্ত্রাংশের অভাবে ইরান এয়ারের বহু বোয়িং বিমান মেরামত করা যাচ্ছিল না।

বুধবার বোয়িং তার ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে বলেছে, "২০১৪ সালের তৃতীয় তিন মাসে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) আমরা ইরান এয়ারের কাছে এয়ারক্রাফ্ট ম্যানুয়াল, ড্রইং এবং নেভিগেশন চার্ট ও ডাটা বিক্রি করেছি।"

১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লব হওয়ার পর এই প্রথমবার ইরানের কাছে বিমানের যন্ত্রাংশ বিক্রি করল বোয়িং। কোম্পানিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব যন্ত্রাংশ বিক্রি করে বোয়িং এক লাখ ২০ হাজার ডলার আয় করেছে।

মার্কিন অর্থ বিভাগে গত এপ্রিল মাসে ইরানের কাছে বিমানের খুচরা যন্ত্রাংশ বিক্রির ওপর শর্তসাপেক্ষে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়।

এতে বলা হয়, ইরানের কাছে শুধুমাত্র "নির্দিষ্ট কিছু সময়ের জন্য"কেবল "নিরাপত্তা রক্ষার কাজে"ব্যবহৃত যন্ত্রাংশ বিক্রি করা যাবে।

বোয়িং-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে পাশ্চাত্যের চলমান পরমাণু আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন সরকারের দিক-নির্দেশনার আলোকে ইরান এয়ারকে বিমানের যন্ত্রাংশ দেয়া হয়েছে।

তবে এখনই ইরানের কাছে নতুন বিমান বিক্রি করতে পারবে না বোয়িং। তবে সামনের মাসগুলোতে তেহরানকে আরো খুচরা যন্ত্রাংশ দেবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে তারা ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করতে আগ্রহী।

ইআর