ট্রাম্প সৌদি আরব সফরের আগ থেকেই বৃহৎ পরিমাণ অস্ত্র বিক্রির একটা সম্ভাবনাময় চুক্তি নিয়ে রাজনৈতিক আর কুটনৈতিক মহলে ব্যাপক গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। আর সে গুঞ্জনের একটা খোলাশা আভাস দিলো যুক্তরাষ্ট্রের এক হোয়াইট হাউস কর্মকর্তা।

তিনি বলেন ৩০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের অস্ত্র বিক্রি করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র এবং খুব শীঘ্রই এ নিয়ে একটি চুক্তি হতে যাচ্ছে।

ওই কর্মকর্তা শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন,আমরা চুক্তির একেবারে শেষ ধাপে আছি। চুক্তিটি ১০০ বিলিয়নেরও বেশি মূল্যের তবে ১০ বছর মেয়াদের চুক্তিটি বেড়ে ৩০০ বিলিয়ন মূল্যেরও হতে পারে।

নাম প্রকাশ না করে একজন কর্মকর্তা বলেন, হোয়াইট হাউজের লক্ষ্য হচ্ছে সৌদি আরবের সেনা বাহিনীকে শক্তিশালী করা এবং একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সমর্থক ইসরায়েলের ওই অঞ্চলে যথাযথ সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখা।

চুক্তির ঘোষণা এলো ট্রাম্পের প্রথম বিদেশ সফরের অংশ হিসেবে তেল সমৃদ্ধ সৌদি সফরের এক সপ্তাহ আগে। ট্রাম্প ইসরায়েল সফরের আগেই সৌদি সফরের সিদ্ধান্ত নেয়।

বলা হচ্ছে, সৌদি সফরে ট্রাম্প রিয়াদের সঙ্গে মার্কিন অস্ত্র তৈরি প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিনের ১ বিলিয়ন ডলার মূল্যের থাড মিসাইল ব্যবস্থা চুক্তি স্বাক্ষরের প্রস্তাব করবেন। এছাড়া ট্রাম্প ১১.৫ বিলিয়ন মূল্যের ৪টি মাল্টি মিশন যুদ্ধজাহাজ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা চুক্তিরও প্রস্তাব করবেন।

এই চুক্তিটি ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র অনুমোদন দেয় কিন্তু পরবর্তীতে দুই দেশের অনিহায় চুক্তিটি বাতিল হয়ে যায়। উল্লেখ্য,যুক্তরাষ্ট্র দুই বছর ধরে সৌদি আরবকে ইয়েমেনে আগ্রাসনের জন্য সামরিক সমর্থন দিয়ে আসছে।
জেড